গুড় তৈরির এই দৃশ্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা

শীতের শুরুতেই ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের বোচাপুকুর গ্রামে শুরু হয়েছে খেজুর গুড় সংগ্রহের কাজ। এ নিয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন গাছিরা। এই গুড় খেতেও সুস্বাদু ও সুগন্ধি যুক্ত। আর এই গুড়ের জনপ্রিয়তা ও ব্যাপক চাহিদ থাকায় উৎপাদনরে সাথে সাথেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে সনাতন পদ্ধততিে মাটির হাড়িতে রাতভর খেজুর গাছের রস সংগ্রহ করা হয়। ভোরের র্সূয উঠার আগেই গাছিরা রসভর্তি মাটির হাড়ি নামিয়ে টিনের বড় তাওয়া বা টাবালিত জাল দিয়ে গুড় পাটালি আর লালি তৈরি করেন। গুড় তৈরির এই দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন জেলাসহ অন্য জেলা থেকে আসা শত শত ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন সুগার মিলের মোহন ইক্ষু খামার খেজুর বাগানে প্রতিদিন ৬’শ খেজুর গাছের মধ্যে ৪’শ গাছ থেকে প্রায় ৫’শ লিটার রস সংগ্রহ করা হয় এবং ৯০-১০০ কেজি গুড় উৎপাদন করা হয়। কিন্তু বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদা থাকায় সরবরাহ করতে পারছে না বলে জানালনে দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা ।

পঞ্চগড় থেকে আসা সফকিুল ইসলাম বলনে, সকাল ৮টায় এসেও রস ও গুড় কিনতে পারিনি আসার আগইে সব শেষ হয়ে গেছে একই কথা বলনে রবিউল ইসলামসহ অনেকে। নারগুন বোচাপুকুর গ্রামরে রুস্তম আলী বলেন, প্রতিদিন আশেপাশের জেলা থেকে অনেকেই খেজুর কিনতে আসনে। এই গুড় খেতে সুস্বাদু ও সুগন্ধি যুক্ত এবং ভেজাল মুক্ত। এই গুড় এলাকার চাহিদ মিটিয়ে বাইরেও সরবরাহ করা হচ্ছে এবং প্রতি কেজি গুড় বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১শ ৭০-১শ ৮০ টাকা দরে।

অন্যদকিে শীতকে উপেক্ষা করে পরিবারে শিশু ও বড়দের সাথে নিয়ে স্বপরবিারে প্রাকৃতকিভাবে খেজুররে গুড় তৈরি দৃশ্য দেখতে অনকে দুর-দূরান্ত থেকে মাইক্রো ও মোটরসাইকলে যোগে শত শত মানুষ ছুটে আসছনে এখানে এমনি কয়েকজন  দর্শনার্থী জানান, এখানকার পরিবেশ অনকে সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর। এখানে স্বানন্দে প্রাকৃতকিভাবে গুড় তৈরি দৃশ্য উপভোগ করছেন এবং রস ও গুড় ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

রাজশাহী থেকে আসা গাছি সুজন আলী বলেন, চাহিদ অনেক বেশী থাকায় সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেকে গুড় নিতে আগে থেকেই সিরিয়াল দিয়ে থাকেন। গুড় তৈরিতে প্রতিদিন ১৫-২০ জন শ্রমিক কাজ করেন। প্রায় ৪ মাস গুড় সংগ্রহরে কাজ চলে এতে শ্রমিকরাও লাভবান হয় এবং আমরাও লাভবান হই, অপরদকিে বাগান মালিকও লাভবান হয়।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কৃষি র্কমর্কতা কৃষ্ণ রায় বলেন, খেজুর গুড় আখেড় গুড়ের তুলনায় অনেক বেশী পুষ্টি সমৃদ্ধ। সে জন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এই গুড় খেতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে এবং উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রয়োজনী সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/এম.

  • 107
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ