বাঘায় নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সামাদ

যারা জনপ্রতিনিধি হতে চান, তারা নির্বাচনকে সামনে রেখে অনেক আগ থেকেই নিজ ইউনিয়নে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে গেছেন। চতুর্থ ধাপের তফসিল ঘোষণার পর সেই প্রচারণা যেন পুরো দমে বেড়ে গেল। বসে নেই সম্ভাব্য চেয়ারম্যান- মেম্বার প্রার্থী কেউ। প্রতি বারের মত এবারও নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশীরা বিভিন্ন ভাবে তদবির করছেন। কেন্দ্রীয়-জেলা নেতৃবৃন্দের ধারে ধারে ছুটছেন।

এদিকে চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে গোলাপগঞ্জের ১১ টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর। এ উপলক্ষে পুরোপুরি মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা। উপজেলার বাঘা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন পেতে ৩-৪ জন প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

তন্মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ ও নৌকার মনোনয়ন পেতে কাজ শুরু করেছেন অনেক আগ থেকেই। তিনি শতভাগ আশাবাদী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে নৌকার মনোনয়ন দিবেন।

জানা যায়, আ.লীগের মনোনয়ন পেতে বেশ কয়েকজন নেতা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। তাদের প্রায় সকলেই দলীয় মনোনয়ন নিতে কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারণী ও তৃণমূল পর্যায়ে লবিং করছেন।

নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বলেন- ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ‘গ্রাম হবে শহর’ এই প্রতিপাদ্য কে ধারণ করে বাঘা ইউনিয়নের প্রত্যেকটি গ্রামকে শহরে রুপান্তরিত করেতে চাই।’

তিনি বলেন- বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছি। আমার সার্বিক কর্মকান্ড বিবেচনা করে নেত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তবেই আমি নির্বাচন করবো। দলীয় নির্দেশনার বাইরে গিয়ে আমি কখনো নির্বাচনে অংশ নিব না।

বাঘা ইউনিয়নের অনেক ভোটারদের সাথে কথা হলে জানা যায়, তারা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সামাদকে নৌকার মনোনয়ন নিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তারা বলেন- তিনি যদি আমাদের ইউনিয়নে চেয়ারম্যান দায়িত্ব পান তাহলে আমরা আমাদের আশা-আবদার বলের জায়গা পাবো। আমরা সবাই ঐকবদ্ধ হয়ে তার সাথে আছি এবং থাকে নৌকা নিয়ে জয়ের মিছিল দিব। তাহলে এলাকায় মানুষের ভাগ্য খুলবে, উন্নয়ন হবে।

ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আ.লীগের অধিক সংখ্যক নেতা নৌকার প্রতীকের প্রত্যাশী হলেও দলের একাধিক নেতাকর্মীর সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, কেন্দ্র থেকে নৌকা নিয়ে যে আসবে তার পক্ষেই কাজ করবে সবাই।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিল ২৫ নভেম্বর। বাছাই ২৯ নভেম্বর। আপিল ৩০-২ ডিসেম্বর। আপিল নিষ্পত্তি ৩-৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৬ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ৭ ডিসেম্বর। আর ভোটগ্রহণ হবে ২৩ ডিসেম্বর।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/এম.

  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ