গোলাপগঞ্জে বহুল আলোচিত ব্যক্তি হেলাল কারাগারে

সিলেটের গোলাপগঞ্জের বহুল আলোচিত ব্যক্তি হেলাল আহমদ উরফে কানা হেলাল এখন কারাগারে।

সিলেট জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য হাসিনা বেগমের দায়েরকৃত মামলায় জামিন নিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। গোলাপগঞ্জের বহু অপকর্মের হোতা হেলাল প্রকাশিত কানা হেলাল কারাগারে যাওয়ার সংবাদে বিভিন্ন মহলে স্বস্তি নেমে এসেছে।

জানা যায়, মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ লোকজনদেরকে হয়রানী, সিলেটের বাহিরে বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভূয়া ভিত্তিহীন অভিযোগে মামলা দায়েরে ইন্দন যোগাতে তার সহায়তা রয়েছে এমন অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে পাওয়া গেছে। এর পূর্বেও হেলাল আহমদ চাঁদাবাজি, চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলার আসামি হয়েছেন।

অতীতে তিনি বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে জেলও খেটেছেন। গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার অধিবাসী সিলেট জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য হাসিনা বেগমের বিরুদ্ধে নিজ আইডি থেকে হেলাল উরফে কানা হেলাল কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর বাক্য লিখে বিভিন্ন সময়ে পোষ্ট করায় হাসিনা বেগম বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় গত ২০ মে হেলাল সহ গং ৮/১০জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করলে ২৫/২৯/৩১/৩৫ ধারায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এ একটি মামলা হয়। মামলা হওয়ার পর আসামি হেলাল প্রকাশিত কানা হেলাল আত্মগোপন করেন। সম্প্রতি তিনি হাইকোর্টে জামিন লাভের জন্য প্রার্থনা করলে মহামান্য হাইকোর্ট ৬ সপ্তাহের জামিন দিয়ে নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

হাইকোর্টের এই নির্দেশনায় হেলাল প্রকাশিক কানা হেলাল গতকাল বুধবার সিলেট সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের জন্য প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করেন।

ফলে গতকালই হেলাল প্রকাশিক কানা হেলালকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়। হেলাল প্রকাশিক কানা হেলালের জামিন নামঞ্জুর হয়েছে এমন সংবাদে নিজ এলাকা বারকোট সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে অনেকটা স্বস্তি নেমে আসে।

প্রাপ্ত সংবাদে জানা যায় চুরি, চাঁদাবাজি ও জালজালিয়াতির অভিযোগে ২০০৭ সালে ২৮ এপ্রিল গোলাপগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়।

মামলাটি দীর্ঘদিন তদন্তের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এ ব্যাপারে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। অনুরুপ ভাবে প্রতারণার মাধ্যমে জাল দলিল সৃষ্টি করার অভিযোগে সিলেট কতোয়ালী থানায় তার বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৬ জানুয়ারী একটি মামলা হয়। মামলা দুটি বর্তমানে চলমান আছে বলে মামলার বাদী বারকোট এলাকার অধিবাসী বিশিষ্ট আইনজীবী এড. রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী প্রতিবেদককে জানান।

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ