কবিতা- ক্লান্ত দুপুর শান্ত বৃক্ষ

অতঃপর ভরদুপুরে ক্লান্ত পরিবেশে
সবুজ ঘাস ঝিলমিল করছে,
সেই শুভাকাঙ্ক্ষী পথিক এসে হাজির
মোর গায়ে ছুঁয়ে বলল বাজান কি ব্যাপার!
-আমি তখনও দিবা স্বপ্ন দেখছি।

বৃক্ষের ছায়ায় স্বর্গ সুখ বুঝি!
আবার পথিকের প্রশ্ন..বাজান কি ভাবছো?
– এই রোদ্দুর দিনের একজন শ্রমজীবীর
কৃষকের কথা ভাবছি।

-দেখেন, তারা মাটে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে,
নিজের জীবন পরোপকারে বিলিয়ে দিচ্ছে।
কিন্তু, তারা এই পরিশ্রমের মজুরি থেকে বঞ্চিত।

পথিক বিস্মিত হয়ে বলবেন,
বাজান তুমি ঠিক কথা বলেছো,
এই শকুনের দেশে প্রকৃত মনুষ্যত্বের দাম নাই।

তখন আবার বললাম
এই বৃক্ষের ছায়ায় ক্লান্ত দুপুরে প্রশান্তি মিলে
পথিকেরা মন থেকে দোয়া দেয়।
কিন্তু, স্বার্থান্বেষী কটু লোক থেকে রেহাই পাবে না,
উপকারী বৃক্ষের নিধন করবে তারা।

প্রায় আধ ঘন্টা বিশ্রামের পর পথিক চলল
নিজ গন্তব্যে ছুটবে তত।
-আমি বৃক্ষের বন্ধু সেজে তার সাথে গল্প করছি,
আহ! আমি যদি বৃক্ষ হতাম!

তাহলে এই স্বার্থপর ধরা থেকে মুক্তি পেতাম।
মনুষ্যত্ব আমাদের বড় গুণ সবেই জানি
তবে ক’জনে মনুষ্যত্ব লালন করে ?

(গদ্য কবিতা)/রচনা:২৮/১০/২০ইং, লেখক: শিক্ষার্থী এম সি কলেজ, সিলেট।

 

  • 23
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ