নালিতাবাড়ীর পোড়াগাঁও ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থনে অধিকাংশ আ.লীগ নেতাকর্মী

শেরপুরের নালিতাবাড়ীর পোড়াগাঁও ইউনিয়নে দল মনোনীত প্রার্থীকে ভোটারবিহীন ও জনবিচ্ছিন্ন দাবী করে ইউনিয়নের সিংহভাগ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী সমর্থন জানিয়েছেন ১নং পোড়াগাঁও ইউপি নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে যাওয়া আজাদ মিয়াকে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে এ উপলক্ষে ইউনিয়নের বারমারী বাজারে এক মতবিনিময় ও নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও টানা দুইবারের চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইস্রাফিল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুরুজ্জামান, সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুস সালাম, প্রচার সম্পাদক দুলাল মিয়া, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক লুৎফর রহমান, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক লুইস নেংমিনজা, তথ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হবি, সদস্য জস্টিনা চিরান, আজগর আলী, ১ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, ২ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, ৩ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, ৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি নূর ইসলাম মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক জাফর আলী, ৫ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, ৬ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক ওমর আলী, ৭ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মাসুদ করীম, ৮ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সোবহান মিয়াসহ ইউনিয়ন যুবলীগ, কৃষক লীগ এবং ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

এসময় নেতৃবৃন্দ বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম-আহবায়ক আজাদ মিয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে-সুসময়ে বর্তমানে দলীয় প্রতীক নৌকা প্রতীক প্রাপ্ত ও দলের সভাপতি বন্দনা চাম্বুগং, সাধারণ সম্পাদক তোতা মিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল উদ্দিনসহ অনেকেই দলের কোন কর্মকান্ডে অংশ নেননি। উপরন্তু নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে দলীয় প্রার্থীর ভরাডুবির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল প্রকাশ্যে। স্থানীয়ভাবে দলের ভিতরে কোন্দল সৃষ্টি করে সবসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক সফল কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর বিপরীতে অবস্থান তৈরির অপচেষ্টা চালিয়ে গেছে। এখন ইউনিয়ন নির্বাচন আসন্ন হওয়ায় এসব বসন্তের কোকিল দলের ধারক-বাহক হওয়ার চেষ্টা করছে।

অথচ বর্তমান চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া প্রচুর অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে দলের নেতাকর্মীদের ধরে রেখেছেন, সচল রেখেছেন দলীয় সকল কার্যক্রম। ফলে সভাপতিসহ অন্যান্য পদের কতিপয় নেতা আওয়ামী লীগ ও জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া বর্তমান প্রার্থী আগের চেয়েও ভয়াবহ ভরাডুবির মধ্যে রয়েছেন। তাছাড়া তারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এখানে আবারও দলীয় বিভেদ সৃষ্টি করে বেগম মতিয়া চৌধূরীর প্রতিপক্ষে অবস্থান নেবে। তাই আমরা পুনরায় আজাদ মিয়াকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। মতবিনিময় সভা শেষে আগামী বৃহস্পতিবার সকালে পুরো ইউনিয়নে আজাদ মিয়ার সমর্থনে নির্বাচনী শোডাউনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 42
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ