জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাউন্সেলিং-এর ব্যবস্থা

বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া নানান অসংগতি কিংবা মানসিক যন্ত্রণার কারনে হারিয়ে যাচ্ছে কিছু তরুন প্রাণ। সেদিক বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের মানসিক সহয়তা প্রদানের লক্ষে এগিয়ে এসেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগ।

গতকাল ২৩ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সহয়াক বিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদকে আহবায়ক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আয়েশা সিদ্দিকা ডেইজীকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শিক্ষার্থীদের জন্য সময় উপযোগী কমিটি গঠন বিষয়ে মুঠোফোনে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিটির আহবায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ বলেন, আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির বিবেচনায় এটি জরুরি ভিত্তিতে করা উচিত তবে আমরা কাজ শুরু করতে পেরেছি এ জন্য আমাদের ভিসি স্যার কে ধন্যবাদ। কাউন্সিলর নিয়োগ দেওয়া একটি প্রক্রিয়ার ব্যাপার থাকলেও আমরা আগামী সোমবার থেকে স্বেচ্ছায় অভিজ্ঞ কাউন্সিলরদের দিয়ে আমাদের কাজ শুরু করে দিব।

তিনি আরো বলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা আমাদের প্রান তাদের মানসিক ভাবে সুস্থ রাখাকে লক্ষ্য নিয়েই আমাদের কাজ শুরু হবে।

কমিটিতে বাকি সদস্যরা হলেন জবির ছাত্র কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম, মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সানজিদা খান ও জবির মেডিকেল সেন্টারের উপ-প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মিতা শবনম।

উল্লেখ্য অল্প কিছুদিনের ভিতরে জবির কয়েকজন শিক্ষার্থী আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন স্যারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিলো সে দিকটি মাথায় রেখেই কি উক্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে? নাকি আগে থেকেই কাজ চলমান ছিল। প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগ সর্বদাই ভাবতেছে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কাউন্সিলর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতেছে সেদিক বিবেচনা করেই আমাদের এগিয়ে আসা।

সাবেক ভিসি ড. মীজানুর রহমান স্যার থাকাকালীন সময়ে ও চেষ্টা করা হয়েছিলো এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য, নানান কারনে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। আমাদের নতুন ভিসি ড. ইমদাদুল হক স্যার সবার সাথে আলোচনা করেই দেখলেন উক্ত বিষয়টি দরকার, এ বিষয়টি বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য স্যারকে অশেষ ধন্যবাদ জানান তিনি।

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ