জালাল খাঁনকে নৌকার মনোনীত প্রার্থী চান গাজীপুরবাসী

আসন্ন স্হানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সোস্যাল নেটওয়ার্ক ফেসবুকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ডিজিটাল ব্যানার-ফেস্টুন, পোস্টার ফেসবুক পোষ্টের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। প্রচার- প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী’রাও। তারই ধারাবাহিকতায় চুনারুঘাট উপজেলার ১নং গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী গরীব দুঃখী মেহনতি মানুষের বন্ধু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ তাঁতীলীগ গাজীপুর ইউনিয়নের শাখার সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জননেতা মোঃ জালাল উদ্দিন খাঁন তিনিও চেয়াররম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচার প্রচারণা গনসংযোগ ও ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় শুরু করেছেন।

নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ জালাল উদ্দিন খাঁন এ প্রতিবেদক’কে বলেন, আমাকে যদি জননেত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন দেন, ইনশাআল্লাহ গাজীপুর ইউনিয়নকে একটি সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক, ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দিন-রাত কাজ করে যাবো ১নং গাজীপুর ইউনিয়নবাসীর জন্য। আমি ছোট বেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বেড়ে উঠেছি, রাজনীতি করি এলাকার মানুষের সেবা করতে। আমার বাবা ছিলেন পরোপকারকারী গাজীপুর ইউনিয়নবাসীর সেবা করেছেন নিরবে, নিভৃতে। ইনশাআল্লাহ আমাকে যদি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীক দেন, আর জনগণ যদি আমার পিতার আদর্শকে স্বরণ করে আমাকে ভালোবেসে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন, কথা দিচ্ছি নিজেকে বিলিয়ে দিবো মানুষের সেবায়।

এদিকে, বিভিন্ন বয়সী ভোটাররা নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যেই গ্রামের চায়ের স্টল ও হাটবাজারে ব্যাপক আলোচনা শুরু করেছেন। যোগ্য প্রার্থীদের পাশে চান সাধারণ ভোটাররা । ১নং গাজীপুর ইউনিয়নের বেশির ভাগ মানুষের কাছে জননেতা মোঃ জালাল উদ্দির খাঁন খুবই একটি প্রিয় মুখ। অনেকেই মনে করেন, মোঃ জালাল উদ্দিন খাঁন গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হলে ব্যাপক উন্নয়ন হবে। কারণ তিনি চেয়ারম্যান না হয়েও মানুষের বিপদে আপদে সবসময় পাশে দাঁড়ান। অসহায় অবহেলিত মানুষকে সাধ্যমত সাহায্য সহযোগীতা করেন। এবং স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার গরীব দুঃখী ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাড়িয়ে সাধ্যমত সাহায্য সহযোগীতা করেছেন। তার মতো মানুষ চেয়ারম্যান হলে অবশ্যই এলাকার উন্নয়ন হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে গাজীপুর ইউনিয়নবাসীর জোর দাবি মোঃ জালাল উদ্দিন খান’কে নৌকার মনোনয়ন দিলে এলাকার উন্নয়ন হবে বলে মনে করেন এলাকাবাসী। তাই গাজীপুর ইউনিয়ন বাসীর একটাই দাবি মোঃ জালাল উদ্দিন খাঁন’কে নৌকার মনোনয়ন দেয়া হোক।

ইউনিয়নের অনেক বাসিন্দাদের সাথেই এ প্রতিবেদকের কথা হলে তারা জানান, মরহুম মোঃ আব্দুল জাহির খানের উপকারের কথা ভুলার মত নয়, জীবনদশায় সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন সবসময়। তার ধারাবাহিকতায় ছেলে মোঃ জালাল উদ্দিন খানও মানুষের উপকার ও অসহায়দের সহযোগীতা করে যা”েছন তার পিতার মত। এই ইউনিয়নের মানুষদের সাথে মরহুম আব্দুল জাহির খান এর পরিবারের আত্মার সম্পর্ক ছিল, পিতার মতনই জালাল উদ্দিন খান সবসময় আমাদের সুখে দুঃখে পাশে থাকেন, আব্দুল জাহির খান এর পরিবারের প্রতি আমাদের আস্হা ও বিশ্বাস আছে, আর এই আস্হা থেকেই তার ছেলে জালাল উদ্দিন খানের পাশে আমারা আছি, আমরা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা তাকেই যেন নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেন।

উল্লেখ্য, তিনি উপজেলার ১নং গাজীপুর ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত গাজীপুর রায়হানিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মোঃ আব্দুল জাহির খাঁন ও মাতা ফুল বানু বেগমের ষষ্ঠ তম ছেলে জালাল উদ্দিন খান। জালাল উদ্দিন খানের পিতা জীবনদশা থাকাকালীন সময়ে যে শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেছেন সেখানেই শেষ নয়, তিনি এর পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সমস্যায় মানুষের পাশে থেকে সমাজের বিভিন্ন সমস্যা বিচার শালিশের মাধ্যমে সমাধান করে দিতেন এবং তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় কথা বলতেন। মরহুম মোঃ আব্দুল জাহির খাঁনের প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটি নিজের সম্পদ বিক্রি করে প্রতিষ্ঠা করে যান। যার ফলে সে মাদ্রাসাটি থেকে প্রতি বৎসর শত-শত গরীব দুঃখী ছাত্র/ছাত্রীদের লেখা-পড়া করার সুযোগ হয়েছে। আওয়ামীলীগ থেকে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী জালাল উদ্দিন খান ব্যক্তি হিসেবে পরোপকারী, চিন্তাশীল, দানবীর ও পরি”ছন্ন ইমেজের মানুষ হিসেবে পুরো ইউনিয়নে খুবই পরিচিত ও সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। এলাকার সমাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিকসহ নানামুখী উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে আগে থেকেই নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। এলাকায় যথেষ্ট সুনাম রয়েছে তার। তিনি বাল্লা স্হলবন্দরের আমদানি ও রপ্তানিকারক কল্যাণ সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে।

তিনি গাজীপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজের অভিভাবক কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে স্কুলের গরীব দুঃখী ও অসহায় ছাত্র/ছাত্রীদের বিভিন্ন সহযোগিতাসহ সাধ্যমত উপকার করার চেষ্ঠা করেছেন। তিনি আসামপাড়া বাজার পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে নির্বাচন করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 45
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ