সেনবাগে বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা বিএনপির মেয়াদ উত্তীর্ণ আহবায়ক কমিটি ও গায়েবী ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবিকে স্মারকলিপি দিয়েছে উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতাকর্মিরা।

গতকাল (১৯ অক্টোবর) বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীগের নিকট উপজেলা বিএনপির ১নং যুগ্ম আহবায়ক আমিন উল্লাহ বিএসসি ও মমিন উল্লাহ চেয়ারম্যানে নেতৃত্বে এ স্বারকলিপি প্রদান করেছে মেয়াদ উত্তীর্ণ আহবায়ক কমিটির ৩৩ জন নেতা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, গত ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্ব বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগী সাংগঠনিক সম্পাদক শামীমের নির্দেশে সেনবাগ উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির কমিটির বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এর ৬মাস পর উপজেলা বিএনপির সম্মেলন করার জন্য ওবায়দুল হককে আহবায়ক এবং মোক্তার হোসেন ইকবালকে সদস্য সচিব করে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কমিটির ঘোষণার ২০ মাস গত হলেও ওই কমিটি নিজেদের পরিচিতি সভাও করতে পারেনি। কিন্তু  কমিটির আহবায়ক ও সদস্য সচিব আহবায়ক কমিটির কোন মিটিং ছাড়াই অধিকাংশ সদস্যের অনুস্থিতিতে একটি ভুয়া মিটিং দেখিয়ে দুই জনের স্বাক্ষরে গত ২৮ সেপ্টেম্বর এক সাথে ৯টি ইউনিয়নের ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করে। ওই কমিটি ঘোষণার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেজবুকে দেখার পর পরই বিএনপির একাংশ নেতা সাবেক বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক অনুসারীরা ঘোষিত কমিটিকে গায়েবী কমিটি অবিহিত করে। তাৎক্ষণিক ওই কমিটি থেকে পদত্যাগ করে ৩৩ জন আহবায়ক, যুগ্ম আহবায়ক ও সদস্য তাদের পদ থেকে পদত্যাগ করে তার নোয়াখালী জেলা কমিটি জমা দেন। এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিন মেয়াদ উত্তীর্ণ সেনবাগ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি ও কমিটি কর্তৃত ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল সহ নানা কর্মসূচি চলছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ উপজেলা পরিষদের সাবেক ৩ বারের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ডমুরুয়া ইউনিয়য়ের চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন, জাফর খান,জেলা পরিষদ সদস্য, শেখ মোস্তাফিজুল রহমান, জহিরুল ইসলাম জহির, সানজিদ কামাল, আরহছঅন হাবিব, শাহাদাথ হোসেন সাধন, আক্রাম হোসেন, বেলাল হোসেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহীন আক্তার কানন, সুফিয়া আকতার মনি প্রমূখ।

এ বিষয়ে সেনবাগ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোক্তার হোসেন ইকবাল বলেন,এটি হচ্ছে নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করা। কমিটি যদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে থাকে কেন্দ্রীয় কমিটি এবং জেলা বিএনপির কমিটি এ খবর ভালো করেই রাখে। এটি রাজনীতিতে লেং মারামারি ছাড়া কিছুই নয়। রাজনীতিতে লেং মারা বলতে কিছু নেই। যিনি মেয়াদ উত্তীর্ণ বলতেছেন উনি আবার নিজেকে কিভাবে যুগ্ম-আহ্বায়ক পরিচয় দেন। এটি আমার জিজ্ঞাসা।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/জি.

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ