জমে উঠবে ‘দুর্গাপূজা’

রংপুরের তারাগঞ্জে দুর্গা উৎসবের আয়োজন তোরজোর শুরু হয়েছে। ১১ অক্টোবর সারা দেশের মতো তারাগঞ্জের ৬৮টি মন্দিরে দুর্গা উৎসব পালন করা হবে। উৎসব পালনের জন্য প্রতিটি মন্দিরে দূযোর্গ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৫০০কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় অবস্থিত পাঁচটি ইউনিয়নে এবারে ৬৮টি মন্দিরে দুর্গা উৎসব পালন করা হবে। এর মধ্যে কুর্শা ইউনিয়নে ১৭টি মন্দির, আলমপুর ইউনিয়নে ৭টি মন্দির, ইকরচালী ইউনিয়নে ১৩টি মন্দির, হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নে ১১টি মন্দির ও সয়ার ইউনিয়নে ২০টি মন্দিরে দুর্গাপূজা প্রস্তুত করা হয়েছে। এ উৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মালম্বীরা প্রফুল্ল ও আনন্দময় সময় পার করছেন।

রোববার সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দির ঘুরে দেখা গেছে, মন্দিরগুলোকে ঘিরে গড়ে উঠেছে দোকানপাট। শিল্পীরা প্রতীমার কাজ শেষ করতে চালাচ্ছেন প্রাণপণ চেষ্টা। প্রতীমা তৈরির কাজ দেখছে শিশু-বৃদ্ধরা।

পলাশবাড়ি দুর্গা মন্দিরে নয়ন মালি বলেন, প্রতীমা তৈরি সব কাজ শেষ। বাড়িতে ফিরে স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে তিনিও ধুমধামে পূঁজা উদযাপন করবেন। প্রতীমার কাজ শেষের দিকে হওয়ায় তাঁর চোখে মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের ঝিলিক।

অনন্তপুর দুর্গা মন্দিরের সামনে দোকান সাজাতে ব্যস্ত সালেমা বেগম। তিনি বলেন, প্রতি বছর পূজা হাটিতে দোকান করেন তিনি। এবারও দোকান করবেন তাই দোকানের খুঁটি লাগাচ্ছেন। ওই মন্দিরের সামনে কথা হয় সংকর রায়ের সাথে তিনি বলেন, ‘বছরে একবার এ উৎসব আসে। লকডাউনের কারণে গত বছর পূজায় উৎসব জাকজমক হয়নি। এবার ছেলে মেয়েরা আনন্দের সঙ্গে পূজা উদযাপন করতে পারবে’।

তারাগঞ্জ থানার ওসি ফারুক আহম্মদ বলেন, দুর্গা মন্দিরগুলোতে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে খেয়াল রেখে সবোর্চ্চ নজরদারি করা হচ্ছে। উৎসব চলাকালীন সময় সর্বদা আইন শৃঙ্খলা বাহিনা মাঠে থাকবে।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/জে.

  • 19
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ