কোন সুখে বিএনপিকে ভোট দেবে: প্রধানমন্ত্রী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে বিএনপির দুই মেয়াদের শাসনামলের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এরপরও কারা, কেন, কোন সুখে বিএনপিকে ভোট দেবে? কী কারণে অন্যদের ভোট দেবে? নির্বাচনে জেতার আত্মবিশ্বাসও বিএনপির মধ্যে নেই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

সোমবার বিকাল ৪টার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, দলের নেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

গত কয়েক মাসে রাজনৈতিক বিষয়ে দেশে কোনো আলোচিত ঘটনা নেই। তবে এরই মধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনের হাওয়া শুরু হয়ে গেছে। সংবাদমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নেও এ বিষয়টিই প্রাধান্য পায়।

এমন এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী উল্টো জানতে চান, আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণ কেন ভোট দেবে। তিনি বলেন, কে আছে এর বাহিরে কাকে দেবে? এর বাহিরে আর কে আছে?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে ক্ষমতা ভোগের বস্তু না। আকাঙ্ক্ষা থাকলে আমার বাবা যেমন অনেক আগেই মন্ত্রী এমপি হতে পারতেন, আমিও পারতাম। কিন্তু সেটা তো আমি করিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, সবশেষ যে নির্বাচন হয়েছে তাতে ভোটাররা ছিলো সতস্ফূর্ত। অনেক চেষ্টা হয়েছে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। এরপরেও নির্বাচন হয়েছে। ভোটের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল বলেই উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের শেষ নির্বাচন প্রসঙ্গও তোলেন। বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না। তাহলে সেটাতে বিএনটি কেন ভোট পায়নি। এটা তাদের জিজ্ঞেস করেন।

তিনি বলেন, এত সুবিধা পেয়ে গালিটাও আওয়ামী লীগের উপরে। তা তো হবেই? সরকারে আওয়ামী লীগ ও অন্যদের সময়ের তুলনাও করেন শেখ হাসিনা। বলেন, ২১ বছরে (১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল) মানুষ কী পেয়েছে? আর আওয়ামী লীগের সময় মানুষ কী পেয়েছে।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/ডি.

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ