নীতিমালা অনুসারে গঠন হচ্ছে না, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ঘার্তি নেই, কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি থেমে নেই। দেশের জনগণ দেশের আইনকে সম্মান করবে, মফস্বল অঞ্চলের অশিক্ষিত অসচেতন মানুষগুলো দেশের আইনকে সম্মান করে, কিন্তু আমাদের দেশের হাজার হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, দেশের আইনকে তোয়াক্কা না করে, তাদের মনগড়া মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে।

শিক্ষামন্ত্রনালয়ের নীতিমালায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা সদস্য হতে পারবে না।

ম্যানেজিং কমিটি গঠনের আগে, বিদ্যালয় ক্যাশম্যান এলাকায় প্রচার করতে হবে, ওপেন নির্বাচন দিতে হবে।

এমন ভাবে নীতিমালার সর্ত অনুযায়ী ম্যানেজিং কমিটি গঠন করতে হবে।নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠন না করে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ আইন ও শিক্ষামন্ত্রনালয়ের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে, গঠন করা হচ্ছে ম্যানেজিং কমিটি।

প্রধান গণের সার্থ হাসিলের জন্য এক ব্যক্তিকে কয়েক বার সভাপতি পদে বহাল রাখা হয়।

শিক্ষা কর্মকর্তাগণ কিছু টাকার বিনিময়ে নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচনী তফসিল, মনোনয়ন সহ সকল প্রকার কাগজপত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বৈধ হিসেবে পাঠায়।

এমন ভাবে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের কারণে সব সময় বঞ্চিত থাকছে, বিদ্যালয়ের জমি দাতা সদস্যগণ। প্রতিষ্ঠান প্রধান নিজেদের ব্যক্তিকে কমিটিতে রাখার জন্য তাঁরা নিজেরাই কৌশলে প্রতিষ্ঠান একাউন্টে নগদ অর্থ দান করে দাতা সদস্য তৈরি করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে, প্রতিটি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন দেয়ার আগে, গোপনে ঐ বিদ্যালয় এলাকায় তথ্য নিয়ে কমিটি অনুমোদন দেয়া দরকার।

তা,না করা হলে, বিদ্যালয়ের জমি দাতা সদস্যগণ আজীবন ম্যানেজিং কমিটি থেকে বঞ্চিত থাকবে।

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ