রামু খুনিয়াপালং ইউনিয়নে প্রতিটি ঘরে ঘরে ইয়াবা কারবারী!

চোলাই মদ বহনকারী থেকে ইয়াবা কারবারী মনু ২৫ কোটি টাকার মালিক!

কক্সবাজারের রামু খুনিয়াপালং হয়ে উঠেছে ইয়াবা কারবারীদের সদর দপ্তর। স্থানীয় বাসিন্দারা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, খুনিয়াপালং ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে রয়েছে ইয়াবা কারবারী। তাদের বৈধ কোন আয়ের উৎস না থাকলেও চড়েন দামী গাড়ীতে, থাকেন সুরম্য অট্টালিকায়। কেউ কেউ বানাচ্ছে বিলাস বহুল বাড়ি। গড়েছে নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ কোটি কোটি টাকার সম্পদ।

রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নটি উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত জনপদ দিয়ে ঘেরা। সহজে মাদক চোরাচালানকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার হওয়ায় এই ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে ঘরে গড়ে উঠেছে ইয়াবা কারবারী!। আর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত এবং ইয়াবা কারবারীদের দাপট রয়েছে থোয়াইংগা কাটায়। স্থানীয়দের পাশাপাশি বহিরাগত ইয়াবা কারবারীদের সিন্ডিকেটেরও শক্ত অবস্থান এখানে।
থোয়াইংগা কাটা গ্রামের শতাধিক কোটিপতি ইয়াবা কারবারী সিন্ডিকেটের মধ্যে এমন একজনের নাম আবদুল হামিদ মনু (২৩)। শুধু এই এলাকা নয়, জেলায় নয়, বাংলাদেশেই কনিষ্ঠ কোটিপতি হিসেবে পরিচিত ইয়াবা কারবারী আবদুল হামিদ মনু।

আবদুল হামিদ মনু

গত ৬ বছর আগে ক্ষেপ হিসেবে মজুরি নিয়ে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি থেকে প্রসিদ্ধ চোলাই মদ বহন করে রামুতে নিয়ে আসতেন। সেই সময়ে রামু থানা পুলিশের হাতে চোলাই মদ সহ আটক হয়ে বেশ কিছুদিন জেলও খাটেন আবদু হামিদ মনু। কারাগারে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সাথে পরিচয় ও জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে বড় মাপের ইয়াবা কারবারী থোয়াইংগা কাটায় আশ্রিতা বাসিন্দা ইউনুচ ও ইদ্রিস ( উখিয়া জামতলি বাঘঘোনার বাসিন্দা) এবং স্থানীয় বাসিন্দা উবাইদুল হক ও আবদুল হক মনু সিন্ডিকেটের সাথে একাট্টা হয়ে যান।

এক সময়ের মদ বহনকারী থেকে আস্তে আস্তে ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পড়ে। নিজেই হয়ে উঠেন বড় মাপের মাদক কারবারী। কাভার্ড ভ্যান যোগে ইয়াবা পাচার করে গত ৬ বছরে অন্তত ২৫ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন আবদুল হামিদ মনু। তবে গত ২০২০ সালে করোনাকালিন সময়ে এবং সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা কান্ডের পর বড় বড় ইয়াবার চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময়ের চোলাই মদ বহনকারী আবদুল হামিদ মনুর বৈধ কোন আয়ের উৎস না থাকলেও স্বল্প সময়ে গাড়ী, বাড়ী, মার্কেট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, জায়গা জমির মালিক হয়েছেন। ফার্নিচারের আড়ালে ইয়াবা সাপ্লায়ের জন্য বাড়িতে গড়ে তুলেছেন ফার্নিচার কারখানা।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, ইয়াবা ব্যবসায়ী আবদুল হামিদ মনু অন্তত ৭০ জনের কাছ থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকার জায়গা জমি বন্দক নিয়েছেন। চড়া সুধে টাকা লগ্নি করেছে শতাধিক ব্যক্তিকে। টাকা লগ্নির সময় নেওয়া এধরনের শতশত অলিখিত ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্প তার বাড়িতে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রক্ষিত রয়েছে বলে তার একাধিক ঘনিষ্ঠ সুত্র জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা গ্রাম খুনিয়াপালং ইউনিয়নের থোয়াইংগা কাটা ঢালার মুখ স্টেশনের পূর্ব পাশে আবদুল হামিদ মনুর পুরনো বাড়ী । তার পিতার নাম মৃত মোহাম্মদ হোসন। তার দুই মা। ছোট মায়ের ছেলে আবদুল হামিদ মনু। অভাবের সংসারে ২০১৩ সাল পর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে ক্ষেপ হিসেবে মজুরীতে চোলাই মদ বহন করে রামুর বিভিন্ন ব্যক্তিকে সাপ্লাই দিয়েছে।

চোলাই মদ পরিবহণের পেশা ছাড়া দৃশ্যমান কোন ব্যবসা ছিল না তার। রামু থানা পুলিশ সুত্র জানান, চোলাই মদ পাচারের সময় রামু থানা পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলও খাটেন মনু। তার বিরুদ্ধে রামু থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। জেল থেকে জামিনে বের হয়ে আবারও শুরু করেন ইয়াবা কারবার।

ছোট বেলা থেকে চোলাই মদ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া আবদুল হামিদ মনু মাত্র ২৩ বছর বয়সে অন্তত ২৫ কোটি টাকার মালিক বনে গেছে।
কনিষ্ঠ এই কোটিপতি আবদুল হামিদ মনু কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া নিয়ে এখন টক অব দ্য খুনিয়াপালং। স্থানীয় বাসিন্দারা তার অস্বাভাবিক উত্তান নিয়ে হতবাক।

গত কয়েক বছরে আবদুল হামিদ কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার নেপথ্যে কারণ খুঁজতে নিয়ে বেরিয়ে এসেছে বহু অজানা তথ্য।
গত ২০২০ সাল থেকে করোনাকালিন সময় সবচেয়ে বেশি নাইক্ষ্যংছড়ি ও উখিয়া সীমান্ত পথে ইয়াবা এনে কাভার্ড ভ্যান যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দিয়েছে। তবে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছে গত ৬/ বছর ধরে। আবদুল হামিদ মনু এখন বিশাল অবৈধ সম্পদের মালিক ও ইয়াবা কারবারী সিন্ডিকেটের বড় মাপের সদস্য।

অনুসন্ধান ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, ইয়াবার লেনদেন সহজ করার জন্য বিকাশ এজেন্ট খুলেছে আবদুল হামিদ মনু । এই বিকাশ এজেন্টটি খুনিয়াপালং ইউনিয়নের থোয়াইংগা কাটা ঢালার মুখ স্টেশনে। বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে লাখ লাখ ইয়াবার লেনদেন করে আসছে বলে অভিযোগ। ওই স্টেশনে তার রয়েছে একটি কসমেটিকসের দোকান। যার পূঁজি ১০ লাখ টাকা।

ইয়াবা টাকায় স্বনামে বেনামে কিনেছে অনেক যানবাহন। এরমধ্যে কয়েকটি সিএনজি অটোরিকশার খদিস মিলেছে। ড্রাইভার শাহাজাহান পরিচালনা করে (জসিম এন্টারপ্রাইজ) সিএনজি অটোরিকশা, কক্সবাজার থ-১১ সিরিয়ালের নাম্বার বিহীন সিএনজি অটোরিকশা , ১টি সিএনজি অটোরিকশা খোদ আব্দুল হামিদ এর মালিকানাধীন, আবদুল্লাহ্ এর কাছে ২টা সিএনজি (সাইমন এন্টারপ্রাইজ) এবং কক্সবাজার থ-১১-৪৯০৫ সিএনজি, একটি পিকআপ নং ১৩-১১৯৬ ( ড্রাইভার আবদু রশিদ), ইজিবাইক (টম টম) ৩টি , ড্রাইভার আব্দুল মালেক এর কাছে টাটা পিকআপ (লম্বা-শো) নতুন গাড়ি , বরখোয়ার ব্রীজ শিকল ঘাট (রামু) এলাকায় বাউন্ডারি সহ ২০ লাখ টাকা দামের জায়গা কিনেছে, থোয়াইংগা কাটা মিলঘর স্টেশনের পূর্ব পাশে তিনতলা ফাউন্ডেশনের নির্মাণাধীন বাড়ি ( যার দাম ২০ লাখ টাকা, লম্বা সামসু নামের এক ব্যক্তি থেকে ৪ কানি জমি কিনেছে ৪০ লাখ (প্রতি কানি ১০ লাখ টাকা) টাকায়, ঢালার মুখ স্টেশনের পূর্ব পাশে একটি অবৈধ স’মিল (করাতকল), স্থানীয় ড্রাইভার সাইফুলের কাছে পাঁচ টনা ১টি পিকাপসহ আরো অনেক অবৈধ সম্পদ রয়েছে তার। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ নামে-বেনামে রয়েছে বিপুল সম্পদ। একজন হতদরিদ্র, ছোট বেলায় চোলাই মদ বহনকারী শ্রমিক আবদুল হামিদ মনু মাত্র ৬-৭ বছরে এত সম্পদের মালিক কিভাবে হয়? তার অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জন পুরো ইউনিয়ন বাসীও হতবাক। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ সবই হয়েছে ইয়াবার ছোঁয়ায়, ইয়াবা ব্যবসার মাধ্যমে।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, আবদুল হামিদ মনু আরেক পার্টনার একই এলাকার ওবাইদুল হক। তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় স্বজন সবাই ইয়াবা কারবারী। ওবাইদুল হক একজন পেশা গাড়ি চালক। কাভার্ড ভ্যান চালক ওবাইদুল হক এখন কাভার্ড ভ্যান মালিকও হয়েছেন। গড ফাদার আবদুল হক মনুর ভাতিজা ওবাইদুল। তিনি দীর্ঘ কাভার্ড ভ্যান যোগে ইয়াবা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে কোটি কোটি টাকার মালিক হলেও একবার আটক হয়নি। তবে কয়েক মাস ধরে উবাইদুল হক গা গাড়ী চালায় না। আবদুল হামিদ মনু এবং ওবায়দুল হক পার্টনারে ইয়াবা কারবার করে ওবাইদুল হক একটি কাভার্ড ভ্যান মালিক, ২ সিএনজির মালিক। মার্কেট করছে ঢালার মুখ স্টেশনে। এই মার্কেটটি ৫ তলা ফাউন্ডেশনের হলেও ১তলা সম্পন্ন করছে। একটি বিলাসবহুল বাড়ী (১ তলা) ।

অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, কাভার্ড ভ্যানে করে ইয়াবা পাচারের সময় রামু খুনিয়াপালংয়ের আবদুল হামিদ মনু এবং ওবায়দুল হক সিন্ডিকেটের ২ সদস্য ঢাকা গাজীপুর পোড়াবাড়ি বাসাইল থামার গ্রেফতার হওয়ার পর বেরিয়ে আসছে এই সিন্ডিকেটের ইয়াবা বাণিজ্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য। গত ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৩টার দিকে ডিএমপি গাজীপুর পূবাইল থানাধীন তুরাগ ফিলিং স্টেশন এলাকায় র্যাব-১ এর স্পেশাল টীম (পোড়াবাড়ি ক্যাম্প) অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ইয়াবা পরিমাণ বেশি হলেও তাদের কাছ থেকে মাত্র ৯ হাজার তিনশ পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখানো হয়েছে। যায় দাম ২৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। জব্দ করা হয় একটি কাভার্ড ভ্যান। যার নং চট্ট মেট্রো-ট-১২-৩৪৮৫। তাদের কাছ থেকে নগদ ৯ হাজার টাকাও পাওয়া যায়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন খুনিয়াপালং ইউনিয়নের থোয়াইংগা কাটা গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে রমজান আলী ও একই এলাকার মো. নুর হাসানের ছেলে মো. রিয়াজ উদ্দিন (১৯)।এর মধ্যে রমজান আলী কাভার্ড ভ্যানের ড্রাইভার ও মো. রিয়াজ উদ্দিন হেলফার। তারা দু’জনই পেশাদার ইয়াবা ব্যবসায়ী। পরস্পর যোগসাজশে তারা ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন। এরা আবদুল হামিদ মনু এবং উবাইদুল হকের ইয়াবার চালান নিয়ে আটক হন বলে এলাকাবাসী ও আটককৃতদের পরিবার সুত্রে জানা গেছে।

কাভার্ড ভ্যান যোগে ইয়াবা গুলো কক্সবাজারের রামু থানার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের থোয়াইংগা কাটা গ্রাম থেকে নেওয়া হয়েছিল। এবিষয়ে ডিএমপি পুবাইল থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি মাদক আইনে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। ডিএমপি পুবাইল থানার মামলা নং-৭ জিআর মামলা নং-১০৭। তারিখ-১০/৯/২০২১। আটককৃতরা এই সব ইয়াবাগুলো আবদুল হামিদ মনু ও উবাইদুল হকের বলে তারা পুলিশ ও র্যাবের নিকট স্বীকার করেছে। কালো টাকার জোরে খুব সহজেই তাদেরকে জামিনে বের করে আনার জন্য চেস্টা চালাচ্ছে আবদুল হামিদ মনু, এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। এরআগে গত বছর করোনাকালিন সময় ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ লবণ ভর্তি ট্রাক আটক করে র্যাব-৩। এসময় আটক করা হয় আবদুল হক মনুর ভাতিজা ট্রাক চালককে। এই ইয়াবাগুলোও ছিল মনু সিন্ডিকেটের, যা এলাকাবাসীর মুখে মুখে।

এদিকে, ইয়াবাকারবারী সিন্ডিকেট পরিবহন ব্যবসার আড়ালে চলছে নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবার ব্যবসা। যাত্রীবাহী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যান, ট্রাক, মিনি ট্রাকের সাহায্যে ইয়াবার বড়ো বড়ো চালান পাচার হয়ে যাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই পণ্যবাহী কাভার্ড ভ্যানসহ বিভিন্ন পরিবহন থেকে মাদকের চালান ধরা পড়ছে।

কক্সবাজার থেকে আসা যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানের মাধ্যমে সারাদেশে ইয়াবা ছড়িয়ে পড়ছে। রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের থোয়াইংগা কাটার ইয়াবা কারবারী আবদুল হামিদ মনু ও উবাইদুল হক সিন্ডিকেটসহ আরো কয়েকটি সিন্ডিকেট গত ৬/৭ বছর ধরে কাভার্ড ভ্যান যোগে ইয়াবা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

ইয়াবাগুলো কক্সবাজারের রামু খুনিয়াপালং ইউনিয়নের থেকে কাভার্ড ভ্যানে করে গাজীপুর নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ইয়াবা ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে পড়ায় নিয়মিত অভিযান চালিয়েও ইয়াবা পাচার রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এলাকাবাসীর দাবী, এই আবদুল হামিদ মনু ও উবাইদুল হক ইয়াবা সিন্ডিকেটকে আটক করে তাদের অবৈধ সম্পদ সরকারের কোষাগারে নিয়ে যাওয়ার দাবী করা হয়।

এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে, আবদুল হামিদ মনু দাবী করেন, প্রশাসনের কতিপয় সদস্য ও কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে ম্যানেজ করে ব্যবসা করছেন। এসব কিছু তার বৈধ ব্যবসা বলে দাবী করেন তিনি।এছাড়াও প্রতিবেদককে লোভনীয় প্রস্তাবও করেন মনু। এব্যাপারে রামু থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ারুল হোসাইন বলেন, মাদকের সাথে কোন আপস নয়। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড় দেয়া হবে না।

আগামী পর্বে থাকছে…..(খুনিয়াপালংয়ে শতাধিক খুচরা বিক্রেতা ও ইয়াবা বহনকারী জেলে : ধরা ছোঁয়ার বাইরে দেড়’শ গডফাদার)

ধারাবাহিক প্রতিবেদন পর্ব-(১)

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 117
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ