নোয়াখালীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাণের উচ্ছ্বাস

বেজে উঠেছে স্কুল-কলেজের ঘণ্টা। শেষ হয়েছে অপেক্ষা। নানা অজুহাতে প্রতিদিন দেরি করে আসা শিক্ষার্থীও আজ ক্লাসে এসেছে সময়মতো। নানা আলোচনা-সমালোচনা, পরিকল্পনা শেষে আজ থেকে খুলেছে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দোয়ার।

প্রায় ১৮ মাস বন্ধের পর নোয়াখালীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরে দেখা যায় শিক্ষার্থীরা মিলিত হয়েছে প্রাণের উচ্ছ্বাসে। ধুলোপড়া খাতা-কলমে লেগেছে মলিন হাতের ছোঁয়া।

৫৪৩ দিন বন্ধের পর খুলেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চিরচেনা সেই দৃশ্য দেখার জন্য উন্মুখ সবাই। এর আগে তিনবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা বলা হলেও চতুর্থ বারে সুনির্দিষ্ট ভাবে ঘোষণা করা হয়েছে ।

চওড়া হাসি ফুটেছে স্ট্রেশনারি দোকান গুলোতেও। দীর্ঘ আয়ের যুদ্ধের পর নতুন সাজে প্রস্তুত স্কুলের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ভ্রাম্যমাণ  দোকানদাররা। স্কুল ভ্যানগুলোতে উঁকি দিচ্ছে নতুন উজ্জ্বল রং।

শিক্ষকরা সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের আদরমাখা শাসনের জন্যও নিয়েছেন মানসিক প্রস্তুতি।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/জি.

  • 203
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ