শ্রীবরদীতে ১২ বছরের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ধর্ষণের শিকার হয়ে ৩য় শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেশী জেঠা আব্দুল হাকিম উরুফে ভুষি (৫০) ফুসলিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শনিবার বিকেলে এমন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার পুরান শ্রীবরদী গ্রাম থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে শ্রীবরদী থানা পুলিশ।

এ ব্যাপারে ভিকটিমের বাবা লালচান বাদী হয়ে ধর্ষক আব্দুল হাকিম ভুষিসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও চারজনকে আসামি করে শনিবার রাতে শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জানায়, ভিকটিম উপজেলার নয়ানি শ্রীবরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় বাড়িতেই থাকতো ওই শিক্ষার্থী। ৫ মাস আগে প্রতিবেশী আব্দুল হাকিম উরুফে ভুশির স্ত্রী ও কন্যা ঢাকায় চলে যায়। এ সুযোগে ওই শিক্ষার্থীকে ফুসলিয়ে সে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ওই শিশুকে নিয়ে তার পরিবারের লোকজন ঢাকায় যাবে এমন খবরে ওই শিশুকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। পরে এ নিয়ে গ্রাম্য সালিশি বসে, এতে সালিশিতে শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। বিয়ের বিষয়ে রাজি না হয়ে ভিকটিমকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে শারীরিক পরীক্ষা করা হলে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা রিপোর্ট আসে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীবরদী থানার এসআই মো নুর উদ্দিন বলেন, ভিকটিম বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে, ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড করতে বিজ্ঞ আদালতে নেয়া হবে। পরবর্তীতে মেডিকেল পরীক্ষা ও বয়স নির্ধারণের জন্য পরীক্ষা করা হবে।

শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ভিকটিমকে উদ্ধার করি। ঘটনার পর থেকেই ধর্ষক পলাতক রয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/এস.

  • 12
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ