রাত পোহালেই শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের পদধ্বনিতে মুখরিত হবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে সরকার ঘোষিত প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণায় দেড় বছর পর আবার শিক্ষার্থীরা ফিরবে তাদের আপন প্রতিষ্ঠানে। মহামারী করোনা ভাইরাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘ বন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান আর আনন্দ যেমন ম্লাণ হয়েছিল, তেমনি স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ায় আবার আনন্দ উল্লাস বইতে শুরু করেছে শিক্ষার্থীদের মাঝে। দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর শেষ করে স্বস্তি ফিরেছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে। ইতিমধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে ধোয়া, মোছা ও পরিষ্কার-পরিছন্নতার কাজ প্রায় শেষের পথে।

তারাগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীনুর রহমান জানান, হাইস্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ উপজেলায় মোট ৩২ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। অপরদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা সহকারী অফিসার মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন,

আমার অধীনে মোট ১০৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৫ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৩৪ টি কিন্ডার গার্ডন রয়েছে। বন্যা কবলিত বিদ্যালয় ব্যতিত সকল প্রতিষ্ঠান খোলার মত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তারা জানান,প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পাঠদানের উপযোগী পরিবেশ ইতিমধ্যেই তৈরি করেছি।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষকদের তত্বাবধানে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে ইতিমধ্যেই পরিত্যক্ত ক্লাস রুম সহ প্রতিষ্ঠানের চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ ধোয়া মোছা হয়েছে। এ ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনার আগাছা সহ খেলার মাঠের ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার করা হয়েছে। রাত পোহালেই শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের পদধ্বনিতে মুখরিত হবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পূর্বের নিয়মে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব ক্লাসে নিয়মিত পাঠদানের জোর দাবি জানিয়েছেন সুশীল সমাজ সহ সচেতন অভিভাবকবৃন্দ।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/জে.

  • 11
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ