কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আগুনে পুড়ে ছাই ১৫ দোকানপাট; প্রায় ৭ কোটি ক্ষতির আশঙ্কা

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসাখাল বাজারের ভয়াবহ পুড়ে ছাই ১৫ দোকানপাট; প্রায় ৭ কোটি ক্ষতির আশঙ্কা। এ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ওইসব ব্যবসায়ীর সর্বশান্ত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বুধবার গভীর রাতে ওই ইউপির হেসাখাল বাজারে রবিউল ও রশিদ সুপার মার্কেটে আগুনের কালো ধোঁয়া আর ঢুস-ঢাস আওয়াজের শব্দ শুনে আশেপাশের ঘুমন্ত মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে আসে। এ অগ্নিকান্ডের ভয়াবহ তীব্রতা দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে চর্তুরদিক থেকে লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চালায়। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ফরহাদ হোসেন তাৎক্ষনিক নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও লাকসাম দমকল বাহিনীকে খবর দিলে কিছুক্ষন পর থানা পুলিশ ও লাকসাম থেকে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসে। এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চালালেও ৭০ মিনিটের এ অগ্নি দাবানলের ভয়াবহতা থেকে ওই মার্কেটের ১৫ ব্যবসায়ীর প্রায় ৫ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা করতে পারেনি।

সূত্রগুলো আরও জানায় এবং সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বুধবার গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের তান্ডবলীলায় ক্ষতিগ্রস্থ হয় ১৫ দোকান এ অগ্নিকান্ডের শিকার হয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছে। প্রাথমিক ভাবে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ১৫ ব্যবসায়ী ও ২ মার্কেট মালিকের প্রায় ৫/৭ কোটি টাকার সম্পদহানী ঘটেছে বলে ধারনা এলাকাবাসীর।

খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান  আলহাজ্ব সামছুদ্দিন কালু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার লামিয়া সাইফুল, স্থানীয় হেসাখাল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিন ভুঁইয়া, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাজহারুল হক মোল্লা, অধ্যক্ষ আবদুল মতিন ভিপিসহ স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ওই বাজার পরিচালনা কমিটি ও আ’লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাৎক্ষনিক এ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ১৫ ব্যবসায়ীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/আর.

  • 14
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ