ভ্রমণকন্যার নতুন উদ্যোগ জেন্ডার ইক্যুইটি এন্ড এমপাওয়ারমেন্ট (GEEP) প্রোগ্রাম

ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশ- ভ্রমণকন্যার অন্যতম প্রকল্প নারীর চোখে বাংলাদেশের বর্ধিত কার্যক্রম আজ ১সেপ্টেম্বর দুপুরে “জেন্ডার ইক্যুইটি এন্ড এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রাম” শিরোনামে উদ্বোধন হয়ে গেল। এটি ভ্রমণকন্যার একটি সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম প্রকল্প।

অনলাইন প্লাটফর্মে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, যুক্ত ছিলেন ৬৪ জেলার শিক্ষা অফিসারবৃন্দ।

ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশ নারীদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর থেকে। সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী এই প্রতিষ্ঠানটির সাথে যুক্ত আছে প্রায় ৬০ হাজার নারী সদস্য এবং ৮০০ এর বেশি স্বেচ্ছাসেবী। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ মানসী সাহা এবং ডাঃ সাকিয়া হক জানান, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা অনলাইনের মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোতে সচেতনতামূলক কর্মসূচী শুরু করতে যাচ্ছেন যার মূল উদ্দেশ্য থাকবে নারীর আত্মউন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন। তবে, করোনা পরবর্তীকালীন কার্যক্রমসমূহ বিদ্যালয় খোলার সাথে সাথে তারা পুনরায় অফলাইনে শুরু করবেন৷

উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৫মে পর্যন্ত “নারীর চোখে বাংলাদেশ” প্রজেক্টের মাধ্যমে তারা ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ জেলাতে স্কুটিতে ভ্রমণের পাশাপাশি ৬৪টি স্কুলে ২৩ হাজারেরও বেশি সংখ্যক স্কুলগামী মেয়েদের সাথে ওয়ার্কশপ করেছেন। তাদের জানিয়েছেন বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ, প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা, আত্মরক্ষা কৌশল এবং খাদ্য-পুষ্টির মত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে। এবারের বর্ধিত কার্যক্রমে এই বিষয়গুলোর সাথে তারা যুক্ত করছেন বাল্যবিবাহ, মাদক, সড়ক নিরাপত্তার মতো অতীব প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ।

প্রকল্পটি পাঁচ বছরব্যাপী কর্মসূচী পরিচালনা করবে যার আওতায় সারা দেশে প্রায় ৫০০টি বিদ্যালয় ২,৫০,০০০ জন শিক্ষার্থীকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহে জানানো হবে, আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ হাতে কলমে দেখানো হবে এবং বয়সন্ধিকালীন জড়তা ভাঙতে কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটি কর্মসূচী যাত্রার শুরু থেকে সারা দেশব্যাপী ব্যাপক সাড়া ও প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়।

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে দেশে-বিদেশে বিশেষভাবে পুরষ্কৃত হয়। তার মধ্যে “জয় বাংলা ইয়ুথ এওয়ার্ড ২০১৮” “জাফিগো এওয়ার্ড ২০১৮(মালয়েশিয়া)” “ইয়ুথ এক্সিলেন্স এওয়ার্ড ২০১৯” “চেঞ্জমেকার প্রোগ্রাম ২০১৯ (চীন)” “দ্য ডায়ানা এওয়ার্ড ২০২০(যুক্তরাজ্য) অন্যতম।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/ডি.

  • 91
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ