বন্যহাতির খন্ড-বিখন্ড পা ও শুঁড়সহ দেহ উদ্ধার : আটক-১

প্রাণ প্রকৃতির প্রতি এ কেমন নির্মমতা ? বন্যহাতিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আর হত্যার পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে বন্যহাতি পা, শুঁড় কেটে টুকরো টুকরো করা হয়। টুকরো ও ক্ষতবিক্ষত শরীরের অংশগুলো উদ্ধার করেছে বনবিভাগ। ঘটনায় জড়িত নজির আহম্মদ নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
কক্সবাজার দক্ষিন বনবিভাগের রামু ধোঁয়াপালং রেঞ্জাধীন দক্ষিন খুনিয়া পালং এলাকায় ৩১ আগষ্ট মঙ্গলবার সকালে এঘটনা ঘটেছে।

বনবিভাগ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎতে শর্ট দিয়ে কক্সবাজার দক্ষিন বনবিভাগের রামু ধোঁয়াপালং রেঞ্জাধীন দক্ষিন খুনিয়া পালং এলাকায় ৩১ আগষ্ট মঙ্গলবার সকালে একটি বন্যহাতিকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তা ধামাচাপা দেয়ার করার জন্য হাতির পা ও শূঁড় কেটে খন্ড-বিখন্ড করা হয়।

খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় বনকর্মীরা অভিযান চালায়। বন্যহাতি হত্যার ঘটনায় জড়িত নজির আহমদ নামের একজনকে আটক এবং হাতির মরদেহ, টুকরো করা পা ও শূড় উদ্ধার করা হয়েছে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, রামুর সহকারী কমিশনার (ভুমি), খুনিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

রামু প্রানী সম্পদ বিভাগের ভেটেরেনারি চিকিৎসক হাতির ময়না তদন্তের জন্য আলামত সংগ্রহ করেন। কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, প্রাণ প্রকৃতির প্রতি এমন নির্মমতা খুব দুঃখ জনক। একটি হাতিকে হত্যার পর তার শরীরের অংশ আবার বিচ্ছিন্ন করা অমানবিক। হাতির দেহাবশেষ পুঁতে ফেলা হবে। এব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 111
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ