আমাদের পথ মসৃণ না, পায়ে পায়ে শত্রু আছে: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের পায়ে পায়ে শত্রু আছে, পদে পদে বাধা আছে মনে রেখেই এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, আমি এইটুকুই বলব এই ধরনের বাধা বিঘ্ন আসতে থাকবে। কিন্তু সৎ পথে থাকলে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে, আদর্শ নিয়ে যদি চলা যায় যেকোনো কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে অর্জন করা বা সাফল্য অর্জন করা এটা কিন্তু অবশ্যাম্ভাবি, এটা হবেই। কিন্তু এটা ঠিক সত্যের পথ সব সময় কঠিন হয়।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় (ভার্চুয়াল) এসব কথা বলেন তিনি।

রাজধানীর খামারবাড়ীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‌জাতির পিতা কোনো কাজ অধরা রেখে যাননি। সব কাজের ভিত্তি তিনি প্রস্তুত করে গেছেন। যখনই এই পরাজিত শক্তি দেখলো আর বাংলাদেশকে বাধা দিয়ে রাখা যাবে না তখনই কিন্তু ১৫ আগস্টের ঘটনা ঘটিয়েছিল তারা।

তিনি বলেন, সেই কথা মনে রেখেই কিন্তু আমাদের পথ চলতে হবে যে আমাদের পায়ে পায়ে শত্রু আছে, পদে পদে বাধা আছে, আমাদের চলার পথ মসৃণ না, কন্টকাকীর্ণ। আমাদের চড়াই উৎরাই পার হয়ে এগিয়ে যেতে হবে এবং আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। মাত্র ১২ বছরের মধ্যে আজকে বাংলাদেশ উঠে দাঁড়িয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এই বাংলাদেশে ১৫ অগাস্টে যে হত্যাকাণ্ড ঘটে গেছে এবং এরপরে ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলা। এছাড়া তো বহুবার আমার উপরও হামলা, এমনকি চুয়াত্তর সালে কামালের উপরও হামলা হল। তাকেও গুলি করে হত্যা করার চেষ্টা করা হল, যখন দেখল বেঁচে গেছে তখন তার বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া হল, মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হল। অর্থাৎ যারা পরাজিত শক্তি তারা সব সময় সক্রিয় ছিল এবং এখনও যুদ্ধাপরাধী, পরাজিত শক্তি এবং ১৫ অগাস্টের খুনি, ফাঁসি যাদের হয়েছে তারা তো বটেই, তাদের ছেলে-পেলে যারা এবং যুদ্ধাপরাধী যাদের ফাঁসি হয়েছে তাদেরও ছেলে-পেলে বা দোসর যারা, বংশধর তারা কিন্তু এখনও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

সরকার প্রধান বলেন, যে সকল আন্তর্জাতিক শক্তি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধিতা করেছিল তাদের কিছু কিছু এদেরকে মদদ দিয়ে থাকে। কাজেই এই ব্যাপারে জাতিকে সতর্ক থাকতে হবে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ও প্রতিটি অর্জনে ছাত্রদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, জাতির পিতা একবার বলেছিলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস ছাত্রলীগের ইতিহাস। কাজেই ছাত্রলীগের এটা মনে রাখতে হবে।

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ