শেরপুর জেলা হাসপাতালের লিফট বিকল, সিড়িতেই বাচ্চা প্রসবঃ দুর্ভোগ চরমে!

শেরপুর ৯ তলা বিশিষ্ঠ জেলা হাসপাতালের নতুন ভবনের দুটি লিফটই চার দিন ধরে বিকল হয়ে আছে।লিফট বিকল থাকার কারনে বেশ বিড়ম্বনায় পড়েছে রোগী ও স্বজনরা ।এই দূর্ভোগ চিকিৎসক নার্সদেরও ভোগাচ্ছে।ওই ৯তলা বিশিষ্ঠ হাসপাতাল জুড়েই রয়েছে করোনা ইউনিট,জরুরী ভর্তি রোগীর শস্যা,ডাক্তার চেম্বার, অপারেশন থিয়েটারসহ অতি প্রয়োজনীয় সেবা দানের স্থান।এদিকে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এক প্রসূতি মাতা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে লিফট না পেয়ে সিড়ি ভেঙ্গে পাঁচ তলা গাইনি ওয়ার্ডে যাওয়ার সময় প্রথম তলার সিঁড়িতেই বাচ্চা প্রসব হয়ে গেছে।হাসপাতালের লিফট না থাকায় ওই প্রসূতির স্বজন ও সেবা নিতে আসা মানুষজন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জানা গেছে এ বছরের ৭ জানুয়ারি লিফট ও ওই হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয়।এই আট মাসের মধ্যে দুটি লিফটই অন্তত চারবার নষ্ট হয়েছে।সর্বশেষ ২৪ আগষ্ঠ থেকে অদ্যবাদি অর্থাৎ চারদিন ধরে লিফট দুটি বিকল হয়ে আছে। এতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে করোনা আক্রান্ত,প্রসূতি মাতা,শিশু ও বৃদ্ধরা।সরজমিনে দেখা গেছে দুটি লিফট এক সাথে বিকল হওয়ায় রোগী, রোগীর স্বজন ও চিকিৎসার সাথে জড়িতরা উঠানামা করেতে পাচ্ছে না।সরজমিনে শনিবার সকালে দেখা গেছে লিফট বন্ধ থাকায় অতি অসুস্থ মানুষজন সিঁড়ি ব্যবহারে কষ্ঠ পাচ্ছে। ভোক্তভোগী ও সাধারনের অভিমত এত বড় হাসপাতালে শুধুমাত্র দুইটি লিফট দেওয়া ঠিক হয়নি। যন্ত্র নষ্ট হতেই পারে।এত প্রয়োজনীয় একটি সেবা ঠিক করতে ১০/১৫ ঘন্টা সময়ের বেশী লাগাটা দুঃখজনক।হাসপাতাল কর্তপক্ষ জানিয়েছে বৃষ্ঠির পানিতে চারদিন যাবৎ লিফট নষ্ঠ । ঠিক করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ গণপূর্ত জানানো হয়েছে।

হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক ডাঃ আওয়োরুর রউফ জানিয়েছেন লিফট চালু করতে ইতিমধ্যে জেলার গণপূর্ত বিভাগকে অবগত করা হয়েছে। গণপূর্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে।

এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষ শেরপুর গণপূর্তের নির্বার্হী প্রকৌশলি জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন তিনি বিষয়টি জানেন না। তবে লিফটে পানি ঢুকলে লিফট নষ্ঠ হওয়ার সম্ভবনা থাকতে পারে বলে তার(গণপূর্ত) এক কর্মকর্তা নির্বার্হী প্রকৌশলিকে অবগত করেছিলেন। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বিকল হওয়ার বিষয়ে কেউ তাকে অবগত করেনি। এখন স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে অবগত হয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বস্থ করেছেন।

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 18
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ