নীলফামারীতে মাছের ঘাটতি পূরণে নানামুখী পদক্ষেপ

সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নীলফামারীতে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হলো জাতীয় মৎস্যসপ্তাহ।শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে অনলাইন প্লাটফর্মে সংবাদ সম্মেলনে জেলা পর্যায়ের ২৬জন সংবাদকর্মী অংশগ্রহণ করেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামানের স্বাগত বক্তব্যে শুরু হওয়া সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম। এতে জানানো হয় নীলফামারী জেলায় ৩৬হাজার ১৫২মেট্রিক টন মাছের চাহিদা হলেও উৎপাদন হচ্ছে ৩০ হাজার মেট্রিক টন। ২০১০সালে ১৯হাজার ৭৫৪মেট্রিক টন উৎপাদন হলেও ২০২১ সালে ৩০ হাজার মেট্রিক টনে উন্নিত হয়েছে। মাছ উৎপাদনে ২৯হাজার ৭২৭টি পুকুর, ৭৪টি বিল, ২০টি নদী, ১৩টি খাল, ৭৯টি প্লাবনভুমি, ৩৭টি জলা ও ১১টি তিস্তা সেচ ক্যানেলের খন্ড রয়েছে। যার পরিমাণ ৪১হাজার ৮০৮ হেক্টর।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান বলেন, মাছের ঘাটতি পূরণে জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ, বিল নার্সারী কার্যক্রম, পেনে মাছ চাষ, ধানক্ষেতে মাছ চাষ, গুচ্ছ গ্রাম পুকুরে মাছ চাষ, প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মাছ চাষ, খাঁচায় মাছচাষে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

মৎস্য অধিদপ্তর সুত্র জানায়, ‘বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি’ শ্লোগানে শুরু হওয়া মৎস্য সপ্তাহ আগামী ৩ সেপ্টেম্বর শেষ হবে সপ্তাহব্যাপী কর্মসুচীর মধ্যে রয়েছে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শণ, পোনা অবমুক্তকরণ, মাছচাষীদের উপকরণ বিতরণ, পুকুরের মাটি ও পানি পরীক্ষা সফল চাষীদের পুরস্কার বিতরণ।

ডেইলিরুপান্তর/আবির

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ