গাইবান্ধায় অবরুদ্ধ ৭ পরিবার, থানায় আভিয়োগ দায়ের

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নে জমিজমা বিরোধের জেরে ৭ পরিবারের বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা করেও সমাধানে আনতে পারেন নি।একপর্যায়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ব্যক্তি গাইবান্ধা সদর থানায় একটি  লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলাধীন কুপতলা ইউনিয়নের চাপাদহ পশ্চিমাপাড়া গ্রামের মৃত মমতাজ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির রাস্তা  হঠাৎ বন্ধ করে দেয় একই গ্রামের নুরুন্নবী সরকার-সহ তার সহযোগীরা। রাস্তা বন্ধের দুই সাপ্তাহ পার হলেও এখন পর্যন্ত অবরুদ্ধ অবস্থায় জাহাঙ্গীর আলম-সহ আরো ৬ পরিবারের লোকজন অন্যের জমি দিয়ে বসতবাড়ি হতে যাতায়াত করছেন। তার পরেও পরিবার গুলো শেষ রক্ষা পাচ্ছেনা প্রভাবশালী নুরুন্নবী সরকার ও তার সহযোগীদের হাত থেকে।

গত ২৩ আগস্ট রাতে সবার অজান্তে টিন দিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের যাতায়াতের রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়া হলে, বিপাকে পরে ৭ টি পরিবারের প্রায় ২৫/৩০ জন ব্যক্তি। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালেও কোন সমাধান হয়নি। রাস্তা অবরুদ্ধকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় ইউপি সদস্যের সালিশি সিদ্ধান্ত মানছেন না। ভুক্তভোগী নিরুপায় হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম।

অভিযুক্তরা হলেন, চাপাদহ গ্রামের মৃত নেহাজ উদ্দিনের ছেলে নুরুন্নবী সরকার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম, ছেলে আবু তাহের ওরফে ফয়সাল, একই গ্রামের নুরুল ইসলামের স্ত্রী রশিদা বেগম ও দুই ছেলে পাপেল (৩২) নয়ন (৩০) এবং আবু তাহের ওরফে ফয়সালের স্ত্রী রুপালী বেগম।

অভিযোগের বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদার রহমানের সঙ্গে দৈনিক সুন্দরগঞ্জ প্রতিদিনের কথা হলে, তিনি জানান স্বাধীন মুক্ত বাংলায় কেউ কাউকে অবরুদ্ধ করে রাখতে পারেনা, আভিযোগের আলোকে পুলিশ ঘটনা স্থল তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন।

 

ডেইলিরূপান্তর/আরএ/এস.

  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ