কক্সবাজারে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নাগরিক সুবিধা হতে বঞ্চিত করার ঘোষণা

কক্সবাজারে বৃষ্টির সাথে বাড়ে পাহাড় কাটা। গত ১২ বছরে শতাধিক লোকের প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। গত সপ্তাহে পাহাড় ধসে রোহিঙ্গা সহ মারা গেছেন ১২ জন। শুধু কক্সবাজারেই ৩০ হাজার পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছে।

স্থানীরা বলছে, বর্ষাকালে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও এসময়েই বেশি পাহাড় কাটা হয়। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পাহাড় কাটার কাজে সব চেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এদিকে, কক্সবাজারে জীবন-ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে বা পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের সকল ধরণের নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ। ডিসি বলেন, ইতোমধ্যে পাহাড়ের বসতি থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শীঘ্রই অভিযান শুরু হবে। কক্সবাজার শহরের ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের ঘোনারপাড়াসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ এ ঘোষণা দেন।

এ সময় পাহাড়ের পাদদেশে জীবন ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারীদের জীবন রক্ষায় সাইক্লোন শেল্টার অথবা আত্মীয়-স্বজনের বাসা বাড়িতে চলে যাওয়ার অনুরোধ করেন জেলা প্রশাসক। অন্যথায় প্রশাসনের টিম গিয়ে ঘরগুলো তালা বন্ধ করে দেয়া হবে বলে ঘোষণা দেন।
এ সময় পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আমিন আল পারভেজ, কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র-২ হেলাল উদ্দিন কবিরসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলিরূপান্তর/আরএ

  • 26
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ