ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সেলিমও সিলেট-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী !

অকাল মৃত্যুতে পরপারে চলে গেছেন সিলেট-৩ (দণি সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ একাংশ) আসনের এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েছ। গত ১৫ মার্চ সংসদ সচিবালয়ের প থেকে শূণ্য ঘোষনা করা হয়েছে তার এ আসনটি। এখন নির্বাচনমুখী পরিবেশ-পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে এই আসন ঘিরে। এমন পরিবেশ পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচনী একটি আবেশ দেখা দিয়েছে এ আসনে। পছন্দের প্রার্থীদের নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়ে গেছে প্রচার-প্রচারণা ইতিমধ্যে।

এদিকে, এ আসনে শাসক দলী আওয়ামীলীগের প্রার্থী তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে ক্রমশ: এর মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশায় জানান দিতে শুরু করেছেন সাবেক ছাত্রনেতারাও। নির্বাচনী রাজনীতিতে যোগ হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলহাজ¦ সেলিম আহমেদও।

প্রবাসে থাকলেও সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে আলাদা একটি পরিচিতি গড়ে তুলেছেন তিনি। জনগনের সাথে সর্ম্পক সহ ছাত্র রাজনীতির বর্ণিল অধ্যায় নিয়ে এ আসনে প্রাথী হতে এখন তিনি মাঠে। তার মতে, ‘‘রাজনীতি রাজনীতিকের’’ হাতে নিরাপদ। ব্যবসায়ী রাজনীতিকরা, দলীয় পরিচয়ে অর্থ বিত্তের ভান্ডার গড়ে।

তারা নিজের অহংকার-অলংকার বাড়ায় কিন্তু রাজনীতির ফায়দা হয়না তাদেও হাতে। উন্নত দুনিয়ায় রাজনীতিকদেরই পৃষ্টপোষকতা করে ব্যবসায়ীরা, কিন্তু আমাদের দেশে রাজনীতিকদের ভাগ্য কিনে নিতে চায় ব্যবসায়ীরা। ‘গাড়ির আগে ঘোড়া যেমন বেমানান’ তেমনি ‘রাজনীতিকদের আগে ব্যবসায়ীদের অবস্থান বেমানান’।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করে ফায়দা নেয় রাজনীতিতে। এমনকি জনপ্রতিনিধির আসনটিও লুটে নিয়ে আখের গোছায় নিজের তারা। সেখানে অবহেলায় পড়ে রাজনীতি ও রাজনীতিকরা।

সেকারনেই রাজনীতি তথা জনপ্রতিনিধিতে রাজনীতিকদের মূল্যায়নের দাবী নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েছেন আলহাজ¦ সেলিম আহমদ।

সেলিম আহমেদ ১৯৮৫-১৯৮৭ সাল পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ ছাত্রলীগের। এরপর ১৯৮৭-১৯৯৭ ইং পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন দণি সুরমা ছাত্রলীগের। ১৯৮৬ইং সিলেট জেলা ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসেবেও তার কার্যক্রম ছিল প্রশংসনীয়। সাবেক এ ছাত্রনেতা একসময় পাড়ী জমান যুক্তরাজ্যে।

সেখানেও দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে নিজকে জড়িয়ে রাখেন বিভিন্ন সেবামুলক কার্যক্রমে। ২০১৮ সালে দায়িত্ব পালন করেন দণি সুরমা সমাজ কল্যাণ সমিতির ইউকের সভাপতির।

সেই সংগঠন সহ ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্ত-মানবতার সেবায় নানা উদ্যোগ গ্রহন করেন তিনি। এরমধ্যে রয়েছে এলাকার গরীব মানুষের ঘর নির্মান, শিাবৃত্তি প্রদান, দক্ষিণ সুরমার ১০টি ইউনিয়নে প্রতিবছর শীতবস্ত্র বিতরণ, মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মানে সহযোগিতা।

এছাড়া প্রতি রমজানে গরীব মানুষের মধ্যে খাদ্য সমাগ্রি বরাদ্দে রয়েছে তার ভূমিকা। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে বৃহত্তর পরিসরে দণি সুরমা উপজেলা ১০টি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে বিতরণ করেছেন খাদ্য সামগ্রী। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সহযোগিতার হাত প্রসারিত রেখেছেন তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ