সারাদেশ ভ্যাকসিন নিয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজার মানুষন

ফাইল ছবি

দেশে করোনা ভ্যাকসিন দেয়ার ২২তম দিনে এক লাখ ১৮ হাজার ৬৫৪ জন ভ্যাকসিন নিয়েছেন। এরমধ্যে পুরুষ ৭০ হাজার ৯১৪ জন ও নারী ৪৭ হাজার ৭৪০ জন ভ্যাকসিন নেন। এ নিয়ে আজকে পর্যন্ত সারা দেশে ৩৪ লাখ ৬০ হাজার ১৫৯ জন ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২২ লাখ ২১ হাজার ২৬৯ জন ও নারী ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯০ জন। পাশাপাশি এ পর্যন্ত করোনার ভ্যাকসিন নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করেছেন ৪৬ লাখ ৫৫ হাজার ৪৬৪ জন।

বুধবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ্ ইমার্জেন্সী অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের (এমআইএস) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, ঢাকা মহানগরীতে ভ্যাকসিন নিয়েছেন ২৪ হাজার ৭৫৪ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১৫ হাজার ৫২৪ জন ও নারী নয় হাজার ২৩০ জন ভ্যাকসিন নেন।

ঢাকা বিভাগে ভ্যাকসিন নিয়েছেন ৪২ হাজার ৩১০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ২৫ হাজার ৯৭০ জন ও নারী ১৬ হাজার ৩৪০ জন ভ্যাকসিন নেন। এছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগে চার হাজার ৮৭ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ দুই হাজার ৩৮৭ ও নারী এক হাজার ৭০০ জন।

চট্টগ্রাম বিভাগে ২২ হাজার ৬৮০ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১৩ হাজার ৬৮৫ জন ও নারী আট হাজার ৯৯৫ জন ভ্যাকসিন নেন।

রাজশাহী বিভাগে ১১ হাজার ৪১২ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ছয় হাজার ৬৪৩ জন ও নারী চার হাজার ৭৬৯ জন।

রংপুর বিভাগে ১০ হাজার ৯৫৫ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ছয় হাজার ৫০৭ জন ও নারী চার হাজার ৪৪৮ জন।

খুলনা বিভাগে ১৮ হাজার নয় জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ২৬০ ও নারী সাত হাজার ৭৪৯ জন।

বরিশাল বিভাগে চার হাজার ৫৩৪ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ দুই হাজার ৮০২ জন ও নারী এক হাজার ৭৩২ জন ।

সিলেট বিভাগে চার হাজার ৬৬৭ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ দুই হাজার ৬৬০ জন ও নারী দুই হাজার সাত জন।

রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালসহ সারা দেশের এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকা দেয়া হচ্ছে। টিকাদানের প্রথম দিন মোট ৩১ হাজার ১৬০ জনকে টিকা দেয়া হয় বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল।

বর্তমানে বাংলাদেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ৭০ লাখ ডোজ রয়েছে এবং করোনার টিকা নিতে চাইলে www.surokkha.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।

গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সেসময় দুই দিনে মোট ৫৬৭ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে এই ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগ না হওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী তাদের এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। কারও মধ্যে গুরুতর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা না দেওয়ায় পরিকল্পনা মত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণ ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ