নিবেদিত প্রাণ অভিমানী হয় কখনো বেইমান হয়না

কোন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান যার জন্য জীবন যৌবন ত্যাগ তিতিক্ষা করে কাজ করে গেলেন, সময়ের বসন্তে সেই মানুষ যদি আপনার কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ মূল্যায়ন না করে ওপাশ ফিরে যায়,কেবল নিজের ব্যক্তিস্বার্থটাই দেখে , তখন কেউ মুখ ফুটে চিৎকার করে আর কেউ নিরবে মনের ভেতরে একবুক কষ্ট আর অভিমান নিয়ে বসে রয়।

শুধু আপনিই সাহায্যকারী ক্রিয়া হয়ে বি এম ইজ আর এর মতো করেই গেলেন, বিনিময়ে কেবল ফাগুনের আশ্বাস পেলেন। দিনের পালা বদলে সুসময়ে সেই আশ্বাসের কথা আর মনেই থাকার কথা ও না।

কেউ দুনিয়া জানায়, আর কেউ মনের গহীনের লুকিয়ে রাখে সেই অভিমানের জমাট। অথচ আপনি জানেনই না হাজারো মানুষের ভীড়ে এই মানুষটাই আপনার জন্য নিজের জন্য বুক পেতে দেবে আপনাকে ভালবাসে বলেই।

দুঃসময়ের নিবেদিত প্রাণ দের যারা সুসময়ে ভুলে যায় তারা এটা ভুলে যায় যে দুঃসময় আবার আসতে পারে….।

প্রসঙ্গত আমি তাদের কাছ থেকে অনেক দুরে চলে যাই যারা সুসময়ে অতীতের অসময়ে যে মানুষগুলো ছায়ার মতো পাশে ছিলো তাদের ত্যাগ তিতিক্ষার কথা ভুলে যায়। প্রাপ্তির হিসেব কষে নয় অপ্রাপ্তির যোগে আগামীর পথ চলায় পাথেয় হয়ে থাকলো এই বিষাদময় অর্জন। তবুও খুব ভাল থাকুক সেই প্রিয় মানুষগুলো। লেখক: যীশু আচার্য্য সংবাদকর্মী, সংগঠক।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ