সিলেটে করোনার টিকা কর্মসূচিতে নানান ভোগান্তি!

দেশে জাতীয়ভাবে গত রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে করোনাভাইরাস রোধকারী টিকাদান কর্মসূচি। সিলেট সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২টি কেন্দ্রে টিকাদান শুরু হয়েছে। এর বাইরে নগরের পুলিশ লাইনসেও আরেকটি কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি চলছে। এ ছাড়া জেলার ১০টি উপজেলায় ২টি করে মোট ২০টি কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি চলছে। এর বাইরে জালালাবাদ সিএমএইচে আরও ৩টি কেন্দ্র রয়েছে। সিলেট সদর উপজেলার টিকা গ্রহণকারীরা নগরের বাসিন্দাদের সঙ্গে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে টিকা নিচ্ছেন। নগর ও জেলায় মোট ৩৬টি কেন্দ্রে টিকাদান চলছে । তবে নানা সমস্যা আর বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হচ্ছে ঠিকা নিতে আসা মানুষদের।

প্রথমে বিভিন্ন ক্যাটাগরি এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দেওয়া হলেও শুরু থেকেই চল্লিশ উর্ধ্বে যাদের বয়স তাদের জন্য রাখা হয়েছে উন্মুক্ত। তবে রেজিষ্ট্রেশন এর জঠিলতা থাকায় অনেকেই পড়ছেন বিপাকে, গতকাল সরেজমিনে এমনই চিত্র দেখা যায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টিকা নিতে আসা অনেকেই বিব্রতকর অবস্থায়। কারণ, তারা নিবন্ধনের বিষয়টি সঠিকভাবে জানেন না। তাছাড়া বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন কথা শুনেছেন।সেই সাথে হঠাৎ করেই একসাথে অধিক ঠিকাগ্রহণকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ক্রমেই বাড়ছে ভোগান্তি আর জঠিলতা।

অনেকেই এসেছেন জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে। তারা তখনই সেখানে নিবন্ধন করিয়ে টিকা নিতে চাচ্ছেন। আবার কেউ এসেছেন মোবাইলে এসএমএস পেয়ে। যদিও এদের কারও ভাগ্যেই টিকা জুটেনি।

ঘাসিটুলার বাসিন্দা আব্দুল হান্নানের বয়স ৬০ বছর। হাসপাতালে এসছেন টিকা নিতে। বললেন, ‘কাছাকাছি থাকি, ভেবেছিলাম এখানে এসে রেজিস্ট্রশন করে টিকা নেবো,কিন্তু হলো না।থ

সরকার তো বলেছে,আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, রেজিস্ট্রেশন না করে কেন এলেন প্রশ্নে তিনি বলেন,‘আমি জানতাম না। কোথাও তো এটা প্রচারও করা হয়নি। এতবড় কাজের যদি প্রচার না থাকে, তাহলে মানুষ জানবে কী করে।থ

গত ৬র রেজিস্ট্রেশন করেছেন কামাল আহমেদ।মোবাইল ফোনে এখনও এসএমএস পাননি। তিনি বলেন, উদ্ভোধনের দিন টিভিতে দেখলাম বলা হলো, টিকাকেন্দ্রে গেলেই টিকা দেওয়া যাবে।সেজন্যই এসেছি।থ এ কথা কে বলেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘মন্ত্রী সাহেব ( স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক) বলেছেন, ‘৫৫ বছরের বেশি বয়সীরা আইডি কার্ড নিয়ে গেলেই সঙ্গে সঙ্গে টিকা দেওয়া হবে।থ কিন্তু কই, তার তো কোনও কার্যকর প্রতিফলন দেখতেছি না এখানে।থথ

পরে দেখা গেলো, কামাল আহমদের মোবাইলে রেজিস্ট্রেশন পুরোটা সম্পন্ন হয়নি।থ রেজিষ্ট্রেশন কেন হচ্ছে না এ বিষয়ে খবর নিয়ে জানা গেলো সার্ভার ডাউন রয়েছে, এতে করে প্রতিনিয়ত ঠিকা নিতে আগ্রহীরা পরছেন দুশ্চিন্তায়,
অনেকেই এসেছেন জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে। তারা তখনই সেখানে নিবন্ধন করিয়ে টিকা নিতে চাচ্ছেন। আবার কেউ এসেছেন মোবাইলে এসএমএস পেয়ে। যদিও এদের কারও ভাগ্যেই টিকা জুটেনি।

ঘাসিটুলার বাসিন্দা আব্দুল হান্নানের বয়স ৬০ বছর। হাসপাতালে এসছেন টিকা নিতে। বললেন, ‘কাছাকাছি থাকি, ভেবেছিলাম এখানে এসে রেজিস্ট্রশন করে টিকা নেবো,কিন্তু হলো না।থ

সরকার তো বলেছে,আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, রেজিস্ট্রেশন না করে কেন এলেন প্রশ্নে তিনি বলেন,‘আমি জানতাম না। কোথাও তো এটা প্রচারও করা হয়নি। এতবড় কাজের যদি প্রচার না থাকে, তাহলে মানুষ জানবে কী করে।থ

গত ৬র রেজিস্ট্রেশন করেছেন কামাল আহমেদ।মোবাইল ফোনে এখনও এসএমএস পাননি। তিনি বলেন, উদ্ভোধনের দিন টিভিতে দেখলাম বলা হলো, টিকাকেন্দ্রে গেলেই টিকা দেওয়া যাবে।সেজন্যই এসেছি।থ এ কথা কে বলেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘মন্ত্রী সাহেব ( স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক) বলেছেন, ‘৫৫ বছরের বেশি বয়সীরা আইডি কার্ড নিয়ে গেলেই সঙ্গে সঙ্গে টিকা দেওয়া হবে।থ কিন্তু কই, তার তো কোনও কার্যকর প্রতিফলন দেখতেছি না এখানে।থথ

পরে দেখা গেলো, কামাল আহমদের মোবাইলে রেজিস্ট্রেশন পুরোটা সম্পন্ন হয়নি।থ রেজিষ্ট্রেশন কেন হচ্ছে না এ বিষয়ে খবর নিয়ে জানা গেলো সার্ভার ডাউন রয়েছে, এতে করে প্রতিনিয়ত ঠিকা নিতে আগ্রহীরা পরছেন দুশ্চিন্তায়, অনেকেই অনলাইনে বার বার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছেন রেজিষ্ট্রেশন করতে এমনই একজনের সাথে কথা বললে আখালিয়ার বাসিন্দা, আব্দুর রশীদ জানান,আমরা আগের যুগের মানুষ এসব অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন কিছুই বুঝিনা তারপরেও একটা অনলাইনের সার্ভিসের দোকানে দুই দিন গিয়ে ঘুরে আসছি কাজ হয় নি, আজ সকাল ১০ থেকে এখন দুপুর ২ টা বাজে কেউ আমার কথা শুনে না অনেককেই বলেছিলাম ঠিকা দেব তাই আজ বাড়ি ফিরে যাচ্ছি আর ঠিকা দেব।
এদিকে যারা অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করে আসছেন তাদেরও দীর্ঘ লাইনে থেকে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি, এতেও সামাজিক দুরত্ব না থাকায় ক

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ