পাপুলকাণ্ডে রাষ্ট্রদূত কালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার হওয়া সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুলের মদদদাতা হিসেবে রাষ্ট্রদূত এসএম আবুল কালামের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা যাক। অভিযোগগুলোর কিছুটা সত্যতা পাওয়া গেলেও তদন্ত করা হবে।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পাপুলকে ৬ জুন রাতে কুয়েতের মুশরিফ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাচারের শিকার পাঁচ বাংলাদেশির অভিযোগের ভিত্তিতে পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অর্থপাচার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের শোষণের অভিযোগ এনেছে কুয়েতি প্রসিকিউশন। ১৭ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর এখন তাকে রাখা হয়েছে কুয়েতের কেন্দ্রীয় কারাগারে। এখানে ২১ থাকতে হবে পাপুলকে।

পাপুলের সঙ্গে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কালামের যোগসাজশের খবর মিডিয়ায় প্রকাশ হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পেপারে আমরা দেখছি। পেপারে অভিযোগও আসছে।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কালামের মেয়াদ চলতি মাসে শেষ হয়ে যাচ্ছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ মাসেই উনি চলে আসবেন। আমরা নতুন রাষ্ট্রদূত কে হবেন, সেটিও নির্ধারণ করেছি। যে কোনো দিন উনি যাবেন।

প্রসঙ্গত চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আবুল কালামকে চুক্তিতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিয়েছিল সরকার। তিনি চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতিও ছিলেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ