করোনায় আক্রান্ত ছিলেন এম এ হক

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্ঠা এমএ হক। শুক্রবার রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে আসা নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে এমএ হকের করোনা শনাক্তের বিষয়টি জানা যায়। এরআগে শুক্রবার সকালে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান সিলেটের এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ।

শুক্রবার ওসমানী মেডিকেল কলেজ ল্যাবে আরও ৫৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে এমএ হকও রয়েছেন।

করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকায় গত মঙ্গলবার এম এ হককে সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। করোনার শনাক্তকরণ পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার তার শরীরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শুক্রবার সকালে মারা যান তিনি।
এরপর বিকেলে সিলট নগরীর মানিকপীর টিলায় প্রথম জানাযা ও রাতে বালাগঞ্জে দ্বিতীয় জানাযা শেষে গ্রামের বাড়িতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এরপরা রাতে আসা রিপোর্টে এমএ হকের করোনা শনাক্তের বিষয়টি জানা যায়।

এম এ হক এর পুরো নাম মুহাম্মদ আব্দুল হক। তিনি ১৯৫৪ সালের ১ জুলাই সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জ উপজেলার দেওনাবাজার ইউনিয়নের কলুমা গ্রামে। এম এ হক বিভিন্ন সময় সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি ছিলেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান তিনি।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ