‘খয়রাতি’ শব্দের ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইল আনন্দবাজার

ভারত-চীন সামরিক উত্তেজনার মধ্যে বাংলাদেশকে দেয়া চীনের শুল্কমুক্ত সুবিধাকে ‘খয়রাতি’ বলে কটাক্ষ করে সংবাদ প্রকাশ করে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো। এরপর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো সমালোচনার মুখে পড়ে। সেই ঘটনায় নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমটির প্রিন্ট ভার্সনে চতুর্থ পৃষ্ঠায় এ ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়।

‘ভ্রম সংশোধন’ শিরোনামে ক্ষমা প্রার্থনা করে সংবাদমাধ্যমটি লেখে, ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’ শীর্ষক খবরে (২০-৬, পৃ ৮) খয়রাতি শব্দের ব্যবহারে অনেক পাঠক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত ও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন গালোয়ান সীমান্তে ভারতের সঙ্গে চীনের সংঘর্ষের পর দুইদেশের মধ্যে দোটানা তুঙ্গে। এমন সময়ই বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য বিনা শুল্কে রপ্তানির সুযোগ দিয়েছে চীন। স্বাভাবিকভাবেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশ।

কিন্তু ভারতকে চাপে ফেলতেই বাংলাদেশকে এমন শুল্কমুক্ত রপ্তানির সুযোগ করে দিয়েছে চীন এমন দাবি করেছে ভারতের গণমাধ্যমগুলো। দাবির শেষে বাংলাদেশকে ‘খয়রাতি’ বলে কটাক্ষ করে সংবাদ প্রকাশ করে আনন্দবাজারসহ ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম।

তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বিষয়টিকে তেমন পাত্তাই দেননি। বরং সোমবার (২২ জুন) পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে ভারতীয় কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদন আমাদের নজরে এসেছে। চীনের দেয়া সুবিধা সম্পর্কে যে শব্দের ব্যবহার তারা করেছে তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তবে এর বিরুদ্ধে আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে চাই না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ