কামরানের মৃত্যুতে সিলেটের জেলা প্রশাসকের শোক

সিলেটের সাবেক মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন সিলেট জেলার সভাপতি এম কাজী এমদাদুল ইসলাম।

সোমবার (১৫ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বার্তায় তিনি এ শোক জানান।

তিনি বলেন, সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। সিলেটের জনসাধারণের প্রিয় মুখ ও রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে জাতি একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিককে হারালো। দেশ ও জাতির সেবায় তার অবদান আমরা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি।

”আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি।”

এর আগে রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বদরউদ্দিন আহমদ কামরান মারা যান।

সোমবার (১৫ জুন) বেলা সোয়া ১২টায় সিলেট এসে পৌঁছেছে কামরানের মরদেহ। সকাল ৭টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স যোগে কামরানের মরদেহ নিয়ে সিলেটের পথে রওনা হন তার পরিবারের সদস্যরা।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সিলেট সিটি করপোরেশনের টানা দুইবারের মেয়র কামরান গত ৫ জুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। পরদিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার শরীর আরও খারাপ হলে ৭ জুন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৮ জুন কামরানের শরীরে প্লাজমা থেরাপিও দেওয়া হয়েছিলে।

তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে সোমবার ভোরে মারা যান সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক এই সভাপতি।

গত ২৭ মে কামরানের স্ত্রী আসমা কামরানেরও করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। তিনি অনেকটা সুস্থ রয়েছেন এবং বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ