ইউরোপে সুখবর

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতালি, ফ্রান্স এবং স্পেনে মৃত্যুর হার কমছে। সাম্প্রতিক সময়ে হ্রাস পেতে থাকায় ধীরে ধীরে নিজেদের অর্থনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার পরিকল্পনা করছে ইউরোপীয় কিছু দেশ।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে লকডাইনে থাকা ইতালিতে ২৬ হাজার ৯৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সংক্রমণ, মৃত্যু ও পুনরুদ্ধারের মোট সংখ্যা পৌঁছেছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪১৪ জনে। তবে আইসিইউতে নতুন মৃত্যু, নতুন সংক্রমণ এবং নতুন রোগীদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রগুলোতে (আইসিইউ) কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়া অব্যাহত রয়েছে, যে প্রবণতা শুরু হয়েছিল তিন সপ্তাহ আগে। গত রোববার ২ হাজার ৯ জন রোগী আইসিইউতে ছিলেন, এক দিন আগে যেখানে ছিলেন ২ হাজার ১০২ জন।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী গুইসেপ কন্তে গত রোববার বলেছেন, আগামী ৪ মে থেকে উৎপাদন, নির্মাণ এবং পাইকারি খাতগুলো আবার কাজ শুরু করতে পারবে। ১৮ মে থেকে খুচরা বিক্রেতা, যাদুঘর, গ্যালারি এবং গ্রন্থাগারগুলো এবং ১ জুন থেকে বার, রেস্তোঁরা, হেয়ারড্রেসার এবং বিউটি সেলুনগুলো চালু করা যাবে।

সোমবার ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, স্পেনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৩ হাজার ৫২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২৯ হাজার ৪২২ জন। এই সময়ে দেশটিতে বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যাও।

সোমবার ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সে কোভিড-১৯ এ দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৮৫৬ জনে। আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ১০০ জোন। তবে এটি চলতি সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন দৈনিক মৃত্যুহার, যা দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় স্বস্তি এনেছে। সরকার আগামী ১১ মে থেকে লকডাউন তুলে নেয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ