তারাবির নামাজে মসজিদে ১২ জনের বেশি হলেই ব্যবস্থা

খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদিম, দুজন হাফেজসহ সর্বোচ্চ ১২ জন রমজান মাসে মসজিদে এশা ও তারাবির নামাজে অংশ নিতে পারবেন। শুক্রবার এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ নির্দেশনা না মানলে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে। ইফতার মাহফিলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মুসল্লিরা নিজ নিজ ঘরে এশা ও তারাবির নামাজ আদায় করবেন। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে রমজান মাসে কোনো ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না।

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সব জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা জরুরি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুধু মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমরা মসজিদে নামাজ আদায় করবেন। জুমার জামাতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে ঘরে জোহরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেয়া হয়। মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ অনধিক পাঁচজন এবং জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। বাইরের মুসল্লি মসজিদে জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ