বগুড়ায় অকারণে ঘোরাফেরা, তরুণকে রোদে বসিয়ে রেখে শাস্তি

বগুড়ায় মাইকিং ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সেনা, র্যা ব ও পুলিশের নির্দেশ সত্ত্বেও জনগণ অকারণে ঘরের বাহিরে আসছেন।

রোববার দুপুরে সদর থানা পুলিশ শহরের জিরো পয়েন্ট সাতমাথার বীরশ্রেষ্ঠ স্কোয়ারে কয়েকজন তরুণকে ধরে ব্যতিক্রমধর্মী শাস্তি হিসেবে কিছু সময় রোদের মধ্যে বসে রেখেছিল।

পরে তাদের বিনা প্রয়োজনে বাহিরে না আসার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এছাড়া ট্রাফিক বিভাগ ১৪০ জন মোটরসাইকেল আরোহীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে না আসতে নির্দেশনা দেয়। প্রথমদিকে অনেকে তা মানলেও পরবর্তীতে জনগণ বেপরোয়া হয়ে যায়। প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে দোকানপাট খোলা রাখা, বিভিন্ন মোড়ে আড্ডা ও কাজ ছাড়াও বাহিরে ঘোরাফেরা শুরু করে।

এরপর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর হলে জনগণ অনেকটা ঘরমুখো হয়। তবে তরুণ-যুবকরা এখনও আড্ডা ও শহরে ঘোরাফেরা করছেন। কেউ কেউ কাজ ছাড়াই মোটরসাইকেল নিয়ে বেড়াচ্ছেন।

রোববার দুপুরে সেনা, র্যা ব ও পুলিশ শহরের সাতমাথায় চেকপোস্ট বসায়। তারা পথচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। যেসব তরুণ ও যুবক বাহিরে আসার ব্যাপারে সদুত্তর দিতে পারেননি তাদের আধা ঘণ্টা রোদের মধ্যে বসিয়ে রাখা হয়। পরে বিনা কারণে বাহিরে না আসার অঙ্গীকার করে তারা চলে যান।

এছাড়া কাগজপত্র না থাকা মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের জরিমানা করা হয়েছে।

বগুড়া ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আসলাম আলী জানান, জনগণ কোনোভাবেই নির্দেশনা মানতে চাইছেন না। তাই এ জেলাকে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য প্রাথমিকভাবে তরুণ ও যুবককে রোদে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। ধীরে ধীরে কঠোর হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

বগুড়ার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম জানান, কাগজপত্র ঠিক না থাকায় ১৪০ জন মোটরসাইকেল আরোহীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।

যুগান্তর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
এ বিভাগের আরো সংবাদ